
বড় যুদ্ধেও টলানো যাবে না ইরানের মসনদ, বলেছিলেন খোদ মার্কিন গোয়েন্দারাই
ইরানে হামলা চালানোর প্রায় এক সপ্তাহ আগে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করা হয়

ইরানে হামলা চালানোর প্রায় এক সপ্তাহ আগে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করা হয়

যুদ্ধে বহুল ব্যবহৃত একটি কৌশল হলো শত্রুপক্ষের নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়া। কখনো কখনো এই কৌশল কার্যকর হতে পারে।

মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছে রাশিয়া।

গত শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে চালানো হামলার বিরুদ্ধে অবস্থা নিয়েছেন বেশির ভাগ মার্কিন নাগরিক। এমনটাই উঠে এসেছে পত্রপত্রিকার জনমত জরিপগুলোয়।

নতুন দুই কার্গো এলএনজি কেনা হয়েছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সাশ্রয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা।

ইরানি যুদ্ধজাহাজটি ভারতে আয়োজিত নৌ মহড়ায় অংশ নিয়েছিল বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

নস্ট্রাডামাস ছিলেন ১৬ শতকের একজন ফরাসি জ্যোতিষী

মোজতবা খামেনির ওপর মার্কিন ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা রয়েছে

ইসরায়েলি অর্থনীতিবিদ শির হেভার বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইসরায়েলে সামরিক উন্মাদনার জোয়ার বয়ে গেছে।

গ্যাসের সরবরাহ কমেছে, কিছুটা লোডশেডিং হতে পারে। আলোকসজ্জা পরিহার ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার অনুরোধ।

এসব প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে খ্রিষ্টান চরমপন্থার আশঙ্কাজনক বৃদ্ধির প্রমাণ দিচ্ছে।

ইরানের ধর্মতান্ত্রিক শাসকগোষ্ঠী নিজেদের নাগরিকদের বিরুদ্ধেই ভয়াবহ দমননীতি চালিয়েছে।