
জেগে ওঠা চরে বৈশাখের আয়োজনে ব্রহ্মপুত্রকে বাঁচানোর আকুতি
এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রায় সাত বছর আগে খনন শুরু হওয়া ব্রহ্মপুত্র নদের রুগ্ণদশাকে তুলে ধরার চেষ্টা করে সাংস্কৃতিক সংগঠন পরম্পরা।

এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রায় সাত বছর আগে খনন শুরু হওয়া ব্রহ্মপুত্র নদের রুগ্ণদশাকে তুলে ধরার চেষ্টা করে সাংস্কৃতিক সংগঠন পরম্পরা।

বাগেরহাট শহরতলির চিতলী-বৈটপুর এলাকার উদ্দীপন বদর-সামছু বিদ্যানিকেতনে আজ মঙ্গলবার সুমাইয়ার মতো নানা বয়সী শিক্ষার্থীরা হাজির হয় বৈশাখের সাজে। শিশুশিক্ষার্থীদের সঙ্গে আসেন অভিভাবকেরাও।

বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩’ উদ্যাপন করা হয়েছে।

নানা আয়োজনে নতুন বাংলা বছরকে বরণ করেছে বাংলাদেশ গণসংগীত সমন্বয় পরিষদ।

কোথাও চলছে বলীখেলা, কোথাও বউছি। আবার কোথাও আয়োজন করা হয়েছে পুতুলনাচ। নাচ-গান-আবৃত্তি নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তো রয়েছেই। দিনভর এমন সব আয়োজনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্যাপিত হয়েছে পয়লা বৈশাখ।

উপমহাদেশে এক ছিলেন লতা মঙ্গেশকর; তাঁরই সহোদরা আশা ছিলেন সুরের শিকড় থেকে উঠে আসা নিখাদ শিল্পী। দুই কিংবদন্তির আদি ঠিকানা এক বাড়ি।

পুরোনো বছরকে বিদায় জানাতে আর নতুন বছরকে বরণ করে নিতে পাহাড়ের বিভিন্ন জনগোষ্ঠী নানা নামে উৎসব উদ্যাপন করছেন। মারমা সম্প্রদায়ের ‘সাংগ্রাই’ উৎসবের অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার খাগড়াছড়ি জেলা শহরের পানখাইয়া পাড়ায় আয়োজন করা হয় মৈত্রী পানিবর্ষণ উৎসব। মৈত্রীর বন্ধন সুদৃঢ় করতে উৎসবে পানি নিয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন মারমা সম্প্রদায়ের মানুষ।

আজকের আলোচনার শিরোনামে তিনটি শব্দ আছে: ‘সংস্কৃতি’, ‘বাংলাদেশ’ ও ‘খোঁজ’। ‘সংস্কৃতি’ বলতে সাধারণ মানুষেরা বোঝেন শিল্পসাহিত্য।

বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে নতুন বাংলা বছরকে বরণ করছে সিলেটবাসী। নগরের বিভিন্ন এলাকায় দিনভর চলছে গান, নৃত্য ও আবৃত্তির আয়োজন।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে প্রথমবারের মতো বৈশাখী মেলার আয়োজন করে এসএমই ফাউন্ডেশন।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিতে চলছে দিনব্যাপী মুক্তকণ্ঠ বৈশাখী উৎসব।

ছায়ানটের এবারের এ আয়োজনের মূল ভাবনা ছিল ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’।