
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও তৎপর হতে হবে
জাতীয় নির্বাচনের আগে ঢাকা ও শরীয়তপুরে অস্ত্র উদ্ধার এবং মুন্সিগঞ্জে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করে।

জাতীয় নির্বাচনের আগে ঢাকা ও শরীয়তপুরে অস্ত্র উদ্ধার এবং মুন্সিগঞ্জে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় এই অঙ্গীকারগুলো করেছে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করে বলেছেন, বলা হচ্ছে তাহাজ্জুদ নামাজের পর ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে। তাহাজ্জুদের পরেই তারা সিল মারার পরিকল্পনা করছে। ভোটকেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করছে। তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের নেতা-কর্মীরা এসব ষড়যন্ত্র রুখে দেবেন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ব্যয়ের হিসাব না দেওয়ায় এনসিপিসহ সাত দলকে ইসির শোকজ ও জরিমানা নোটিশ।

আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, এবার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদলের পর দুর্নীতি বন্ধের সুযোগ রয়েছে। ১১-দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি চিরতরে বন্ধ হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাঁদের প্রতি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলো আলাদা করে সমর্থন দিয়েছিল। তবে ভোটের মাঠে এর প্রভাব পড়েছে কম।

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ হতে পারে সর্বোচ্চ আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে। এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ।

আইআইডি–ওয়াইএফপির জরিপে নির্বাচনে সরকারের নিরপেক্ষতা, ভোটের নিরাপত্তা ও জুলাই সনদ বিষয়ে জনধারণার চিত্র উঠে এসেছে।

মার্কিন রাজনৈতিক গবেষক ডেভিড ইস্টনের মতে, রাজনৈতিক ব্যবস্থা টিকে থাকে মূলত ‘ডিফিউজ সাপোর্ট’ অর্থাৎ, ভোটারের আবেগগত সমর্থনের ওপর। এই সমর্থন আদায় করতেই ভোটের আগে রাজনীতিবিদেরা বিনয়, নম্রতা ও ঘনিষ্ঠতার প্রদর্শন করেন।

অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাহী আদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ করায় দেশের অন্যতম প্রধান দল আওয়ামী লীগ ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছে না।

‘দিনে কয়েকবার করে ভোট চাইতে আসে, তবে কাউকে বলিনি, ভোট কাকে দেব,’ তাঁর সাবলীল উত্তর।

মোহাম্মদপুরের দিকে হাঁটা দিই। সত্যি কথা বলতে কি, এদিকে এলেই কেন যেন গা ছমছম করে। এখানে চুরি-ছিনতাই নৈমিত্তিক ব্যাপার। তা ছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে আইনশৃঙ্খলার সবচেয়ে বেশি অবনতি হওয়া এলাকার মধ্যে মোহাম্মদপুর অন্যতম।