
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল আবার হামলা করলে যেভাবে পাল্টা আঘাত হানতে পারে ইরান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা করলে ইরান কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা করলে ইরান কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে পুরোদমে জ্বালানি তেল সরবরাহ জুন মাসের শেষে শুরু হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার তিনি ইরানে নতুন করে বড় হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন।

ওয়াশিংটন পাঁচ দফার একটি তালিকা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইরান কেবল একটি পারমাণবিক কেন্দ্র সচল রাখতে পারবে।

সৌদি আরব ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য আগ্রাসনবিরোধী চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে, যা ১৯৭৫-এর হেলসিংকি অ্যাকর্ডসের আদলে তৈরি। ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থন পেলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থান অস্পষ্ট। উপসাগরীয় অঞ্চলে বিভক্ততা ও স্থবির শান্তি আলোচনার মধ্যে এই উদ্যোগ এসেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতি নিয়ে বারবার ধাক্কা খাচ্ছে। কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও হুমকি সত্ত্বেও ইরান আত্মসমর্পণ করছে না, বরং প্রতিরোধ জোরদার করছে। এই কৌশল যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়িয়ে দীর্ঘ বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র যখন যুদ্ধে ব্যস্ত, সি তখন শান্তির ডাক দিচ্ছেন। উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইউরোপের বিদেশি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন, যাঁরা এই সংকট অবসানে তাঁর সহযোগিতা চাচ্ছেন।

ইরান যুদ্ধের মধ্যে নেতানিয়াহুর গোপন আমিরাত সফরের দাবিকে ইউএই ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর দাবি করেছে, ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’-এর সময় শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এতে ইসরায়েলের সঙ্গে 'আঁতাত'কারীদের জবাবদিহিতার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ের বিরোধিতায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একমত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরান হামলার পর তেহরান এই জলপথ বন্ধ করে দিয়েছে। ট্রাম্প-সি চিন পিংয়ের বৈঠকে এই বিষয় আলোচিত হবে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইরানের হামলার জবাবে সৌদি আরব গোপনে ইরান ভূখণ্ডে সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এটি আগে অজানা ছিল। উত্তেজনা কমাতে দুই দেশ পারস্পরিক বোঝাপড়ায় পৌঁছায়।

২০২৬ সালে ইরানবিরোধী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পিছু হটা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। ইরানের শক্তি ও প্রতিরক্ষা ক্ষমতা অবমূল্যায়ন করায় এই যুদ্ধ ভুল প্রমাণিত হয়েছে। আধুনিক যুদ্ধের প্রযুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আর সুবিধাজনক নয়।

ইরান যুদ্ধে শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল ১০৪.৫০ ডলারে পৌঁছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা স্থবির হওয়ায় হরমুজ প্রণালির উদ্বেগ বেড়েছে।