
প্রক্রিয়াজাত খাবার কেন এড়িয়ে চলবেন
যাঁরা নিয়মিত প্রক্রিয়াজাত খাবার ও নির্দিষ্ট সংরক্ষণকারী উপাদান গ্রহণ করেন, তাঁদের মধ্যে ক্যানসার ও টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।

যাঁরা নিয়মিত প্রক্রিয়াজাত খাবার ও নির্দিষ্ট সংরক্ষণকারী উপাদান গ্রহণ করেন, তাঁদের মধ্যে ক্যানসার ও টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।

অনেকে বছরের পর বছর চেষ্টা করেও সন্তান লাভ করতে পারেন না। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এ অবস্থাকে বলে বন্ধ্যত্ব। নানা কারণেই হতে পারে বন্ধ্যত্ব।

এ ছাড়া কিছু ব্যথানাশক ও নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ মাড়ি থেকে রক্তপাত বাড়াতে পারে এবং কখনো কখনো মুখে ঘা তৈরি করতে পারে।

ব্যস্ত জীবন আর কাজের চাপে দুপুরের দিকে শরীর ও মস্তিষ্ক যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তখন এক চিলতে ঘুম যেন পরম পাওয়া। একেই বলে ‘পাওয়ার ন্যাপ’।

স্বাস্থ্যকর রুটিন অনুসরণ করলে ৭০ থেকে ৮০ বছর বয়সেও শরীর ও মস্তিষ্ক ভালো রাখা সম্ভব। আর সেই প্রস্তুতি ৩০ বছর বয়স থেকেই নিতে হবে।

ওজন কমাতে হলে ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ করতেই হবে। সুস্থতার চর্চা করতে হলে আপনার যখন যা মনে চায়, সেটাই খেয়ে ফেলতে পারবেন না।

মনে রাখবেন, ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি থাকলে খাবারের ক্যালসিয়াম আপনার দেহে শোষণ হবে না। তাই রোদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতেই হবে।

হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্য থেকে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা, ওজন নিয়ন্ত্রণ থেকে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে বাদামের অবদান প্রমাণিত।

ওজন কমাতে অনেকে নানা ধরনের ওষুধ গ্রহণ করে থাকেন। এগুলো গ্রহণ করা ভালো?

মানসিক চাপ সামলাতে না পারায় কারও কারও আচরণ বদলে যায়। আচরণের এ পরিবর্তন অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিজঅর্ডারের অংশ হতে পারে।

কারও বেগ আসামাত্রই প্রস্রাব না করতে পারলে অনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রস্রাব বেরিয়ে যায়। এসব সমস্যা প্রতিরোধে কাজে আসতে পারে কিগেল এক্সারসাইজ।

ব্যস্ত জীবনের ফাঁকেও আলাদা কোনো ব্যায়াম না করেই কমাতে পারেন স্বাস্থ্যঝুঁকি। এ জন্য দিনে মাত্র কয়েক মিনিটের ছোট ছোট চলাফেরা করতে হবে।