
ইরান যুদ্ধ: ব্রিটেনকে বুঝতে হবে তারও শত্রু এখন ট্রাম্প
গত কয়েক দিনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে চালানো এই যুদ্ধ কতটা অসামঞ্জস্যপূর্ণ, অসম্মানজনক এবং উন্মত্ততার সীমা ছুঁয়ে ফেলেছে।

গত কয়েক দিনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে চালানো এই যুদ্ধ কতটা অসামঞ্জস্যপূর্ণ, অসম্মানজনক এবং উন্মত্ততার সীমা ছুঁয়ে ফেলেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করা গুরুত্বপূর্ণ শর্তের একটি।

মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানও ভার্চ্যুয়ালি এ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে কিছুটা সুর নরম করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্প যদি স্থল সেনা মোতায়েন করেন, তাহলে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব আরও বাড়বে।

ইসলামাবাদে তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থামানোর জন্য আলোচনা করছেন। হরমুজ প্রণালী খোলা এবং সরাসরি সংলাপের পথ তৈরির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান ইরানের সঙ্গে ফোনালাপ করে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরুর এক মাসের বেশি সময় পর স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান যুদ্ধে জয়লাভ করছে।

হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে ট্রাম্প প্রশাসনকে তাদের বৃহত্তর লক্ষ্যগুলো থেকে সরে আসতে হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা যত বাড়ছে, ততই একটি পুরোনো প্রশ্ন সামনে আসছে—পশ্চিমা বিশ্ব কি সত্যিই একসঙ্গে চলছে?

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র যে যুদ্ধ বাধিয়েছে, তাতে জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি হয়ে দেশটির মিত্রদেরই বেশি ভোগাচ্ছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, চুক্তির আওতায় ইরান অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে কি না, তা নির্ভর করবে দেশটি তার প্রতিশ্রুতি কতটা পূরণ করছে তার ওপর।

ইরানে যুদ্ধবিরতির কূটনৈতিক প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।