
যুক্তরাষ্ট্রের ডলার ‘কারসাজিতেই’ কি ইরানে রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভ, কী বলছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী
‘আমরা (অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে) যা করেছি, তা হলো দেশে ডলারের তীব্র ঘাটতি সৃষ্টি করা।’

‘আমরা (অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে) যা করেছি, তা হলো দেশে ডলারের তীব্র ঘাটতি সৃষ্টি করা।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, এ অর্থ দিয়ে ইরানকে শুধু যুক্তরাষ্ট্র থেকে খাদ্যপণ্য কিনতে হবে, যা ইরানের জনগণের খুব দরকার।

ইরানের আইআরজিসি মধ্যপ্রাচ্যে গুগল, মেটা, অ্যাপলসহ ১৮টির বেশি মার্কিন প্রযুক্তি ও অ্যারোস্পেস প্রতিষ্ঠানে হামলার হুমকি দিয়েছে। ১ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে হামলা শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রযুক্তি ইরানের নেতাদের গুপ্তহত্যায় সহায়তা করছে বলে অভিযোগ।

ভবিষ্যতে যেকোনো আগ্রাসনের ‘কড়া জবাব’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের।

গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে যে নৌ অবরোধ শুরু করে ওয়াশিংটন, তা ইরানকে শান্তিচুক্তির শর্ত মেনে নিতে চাপ প্রয়োগের কৌশলের অংশ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা সত্ত্বেও ইরানের বর্তমান সরকার টিকে যেতে পারে।

জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর অবস্থানস্থল হিসেবে পরিচিত একটি বিমানঘাঁটিতেও হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি।

কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, কোনো হতাহত হয়নি।

ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্যরা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে চিঠি লিখে ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে স্বচ্ছতার দাবি জানিয়েছেন। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তারা বিস্তারিত তথ্য চেয়েছেন। বিভিন্ন গোয়েন্দা নথি ও ফাঁস তথ্য থেকে ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের পারমাণবিক সক্ষমতা প্রকাশ পায়।

ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের সম্ভাবনা মার্কিন জোটের মিত্রদের শর্তসাপেক্ষ অবস্থানকে প্রকাশ করছে। তেল সরবরাহের ঝুঁকি ও অর্থনৈতিক প্রভাব জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসনের সামনে এই চ্যালেঞ্জ গুরুতর।

ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় একজোট মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিপক্ষরা ট্রাম্পকে শান্তিচুক্তিতে চাপ দিচ্ছে।

যে নেতারা একসময় বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তিকে সন্তুষ্ট করতে, তাঁকে তোষামোদ করতে চেষ্টা করতেন, তাঁরা এখন তাঁর সমালোচনার সাহস দেখাচ্ছেন, তাঁর থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন।