
অদৃশ্য ভ্রমণ: রাতের নীরবে নিজের অতীতে ফিরে যাওয়া
রাতের নীরবে মানুষ অদৃশ্য ভ্রমণে নিজের অতীতে ফিরে যায়। স্মৃতির দরজা খুলে জীবনের মুহূর্তগুলো ভেসে ওঠে, হারানো মানুষের স্মৃতি ছুঁয়ে যায়। এই যাত্রা কষ্ট দেয়, মুক্তি দেয়, নিজেকে নতুন করে চেনায়।

রাতের নীরবে মানুষ অদৃশ্য ভ্রমণে নিজের অতীতে ফিরে যায়। স্মৃতির দরজা খুলে জীবনের মুহূর্তগুলো ভেসে ওঠে, হারানো মানুষের স্মৃতি ছুঁয়ে যায়। এই যাত্রা কষ্ট দেয়, মুক্তি দেয়, নিজেকে নতুন করে চেনায়।

জ্যাকসন হাইটসের ‘হাইটস’ শব্দটা না হয় জায়গাটা উঁচু বলে কিংবা ‘উঁচু তলার মানুষের’ আবাসিক এলাকা গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে জায়গাটার উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে বলে যোগ করা হয়েছে, জ্যাকসন’ এল কোত্থেকে?

মালয়েশিয়াকে নিয়ে লেখা ইংরেজি ভাষার অনেক জনপ্রিয় বই আছে। তবে সেসব বইয়ে ঘুরেফিরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও জাপানি দখলদারির গল্প আসে; কিন্তু আজকের মালয়েশিয়াকে বুঝতে চাইলে অতীতের গল্পে পড়ে থাকলে চলবে না। দেশটির সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবন অনেক বদলে গেছে। সেই পরিবর্তনের গল্পও উঠে এসেছে সমসাময়িক লেখকদের বইয়ে। মালয়েশিয়াকে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ দেয়, এমন চারটি বইয়ের খোঁজ জেনে নিন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি এখন শুধু তথ্য খোঁজা, ছবি তৈরি বা কাজের সহকারী হিসেবেই সীমাবদ্ধ নেই। ধীরে ধীরে মানুষের ব্যক্তিগত আবেগ, সম্পর্ক ও মানসিক নির্ভরতাতেও প্রবেশ করছে প্রযুক্তিটি।

গতকাল ‘চা গরম’ চলচ্চিত্রের প্রিমিয়ারে সাফা কবির, পার্থ শেখরাসহ তারকারা উপস্থিত হন। চা-বাগানের মানুষের জীবনকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই ছবি রাত ১২টায় মুক্তি পায়। শঙ্খ দাশগুপ্ত পরিচালিত ছবিতে প্রান্তিক মানুষের সংগ্রাম ও স্বপ্ন তুলে ধরা হয়েছে।

ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ বা সিলেট—দেশের যেখানেই থাকুক না কেন, ঈদ এলে মানুষের মন ছুটে যায় এক জায়গায়, সেটি হলো নিজের গ্রামের বাড়ি।

বল মাঠে গড়াবে রাত দশটায়। অথচ এশার আজানের পর থেকে আনোয়ার চেয়ারম্যানের বাড়ির উঠোনে মানুষ গিজগিজ করছে। এই গাঁয়ে সন্ধ্যার আগেই মানুষের নাকের ডাক শোনা যায়। অথচ আজ রীতিমতো চোখে পানি দিয়ে ছেলে–বুড়োরা ঘুম তাড়িয়েছে। উঠোনজুড়ে খড়ের বিছানায় ঝাঁকে ঝাঁকে মশার শুঁড়ে বিদ্ধ হতে হতেও মানুষ মন্ত্রমুগ্ধের মতো চেয়ে আছে ১৪ ইঞ্চি টেলিভিশন সেটের দিকে।

‘মাধ্যমিকে পড়ার সুযোগ পাব ভাবতেই পারিনি!’ কথাটি বলে মদিনা কিছুক্ষণ নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকে। কী হয়েছিল জিজ্ঞেস করলে তার জীবনের গল্প বলতে শুরু করে সে।

কোর্ট হাউসের সামনে সকালটা অস্বাভাবিকভাবে উজ্জ্বল। রোদ আছে, কিন্তু উষ্ণতা নেই। বাতাসে কাগজের গন্ধ—পুরোনো ফাইল, পুরোনো রায়, পুরোনো গল্পের ঝাঁজ। রাজু হাতে একটা পাতলা ফাইল নিয়ে ধীরে ধীরে হাঁটে। কাগজগুলো নড়ছে, যেন নিজেরাও জানে—এদের ভেতরে লেখা শব্দগুলো মানুষের জীবন ভেঙে দেয়।

চাকরির তাগিদে পৃথিবী ঘোরা থেকে শুরু করে হংকংয়ের আলোঝলমল নগরীতে প্রথম চাকরি ও স্থানীয়দের আচরণের তিক্ত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন লেখক। পাতালরেল ভ্রমণের মুগ্ধতা থেকে পার্কে বাচ্চার সঙ্গে ছবি তোলায় পুলিশের হাতে ধরা—সবই এই লেখায়। আলোর শহরের আড়ালে লুকিয়ে মানুষের মনের অন্ধকারও উঠে এসেছে।

পথের এক প্রান্তে কাঁথা মুড়িয়ে শুয়ে আছেন এক বৃদ্ধ। শরীরটুকু স্থির, চোখ বন্ধ। তাঁর পাশ ঘেঁষে ছুটে চলেছে গাড়ি। হর্ন, আলো ও গতি মিলেমিশে এক নিরন্তর ব্যস্ততা। সময় যেন সেখানে থামে না; বরং গড়িয়ে যায় আরও দ্রুত। কিন্তু সেই স্রোতের মাঝখানে এক টুকরা নীরবতা হয়ে পড়ে থাকেন তিনি। এই দৃশ্য কোনো খবরের ছবি নয়, কোনো ঘটনার দলিলও নয়; এটি সময় ও মানুষের মধ্যকার সম্পর্কের প্রতিচ্ছবি।

অনেক গ্রামীণ নারী, যাঁরা একসময় ক্ষুদ্রঋণ গ্রুপের সদস্য ছিলেন, পরবর্তী সময়ে স্থানীয় সরকারের সদস্য বা চেয়ারম্যান হয়ে সামাজিক নেতৃত্বেও নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছেন।