
বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর তিনটি নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর
কালীগঞ্জ শহরের নিশ্চিন্তপুর, বৈশাখী তেলপাম্প ও শহরের হেলাই গ্রামে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

কালীগঞ্জ শহরের নিশ্চিন্তপুর, বৈশাখী তেলপাম্প ও শহরের হেলাই গ্রামে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হাসান মামুনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনী আইন অনুসারে, তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। কিন্তু স্থানীয় ভোটাররা চেনেন তাঁদের বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে।

গাড়ি থেকে নামলেন মাদারীপুর-২ (রাজৈর ও সদরের একাংশ) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য।

বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘বহিষ্কার করে আমাদের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’

মাদারীপুর–২ (সদর একাংশ ও রাজৈর উপজেলা) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্যর গণসংযোগে হামলা করা হয়েছে। বিএনপির প্রার্থী জাহান্দার আলী মিয়ার সমর্থকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের নির্বাচন ঘিরে বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে বড় ধরনের বদল এসেছে। বিএনপির আসন সমঝোতার প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হাসান মামুনের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

মানিকগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষের নেতা-কর্মীরা দলের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন ও নির্বাচনী প্রচারে বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মো. মফিজুর রহমান অভিযোগ করেছেন, ওই আসনের বিএনপির প্রার্থী তাঁকে হুমকি দিচ্ছেন।

কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও বাজিতপুর) আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিভক্তি নির্বাচনী হিসাব-নিকাশ জটিল করে তুলেছে। বিএনপির সাধারণ নেতা-কর্মীরা কেউ দলীয় প্রার্থী, আবার কেউ বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।

বয়স দশ পেরোলেই আদরের শান্ত সন্তানটি যেন হুট করেই বদলে যেতে শুরু করে। আগে যে শিশুটি মা-বাবার প্রতিটি কথা মেনে নিত, এখন সেই কিশোরটিই ছোট ছোট বিষয়ে তর্ক করছে

রাজশাহী-৫ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই তিনজনের দুজনই বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী।