
তিন রঙের কর্নফ্লাওয়ার
কর্নফ্লাওয়ার বর্ষজীবী উদ্ভিদ। ইউরোপে সহজলভ্য। বুনো কর্নফ্লাওয়ারের একটি আদি জাত ইউরোপ ও ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জে দেখা যায়।

কর্নফ্লাওয়ার বর্ষজীবী উদ্ভিদ। ইউরোপে সহজলভ্য। বুনো কর্নফ্লাওয়ারের একটি আদি জাত ইউরোপ ও ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জে দেখা যায়।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে গাবতলী বেড়িবাঁধে স্থায়ীভাবে নির্মিত হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় ফুলের পাইকারি বাজার।

বাহ্, উর্দু আর হিন্দিতে হাসনাহেনা ফুলটার কি উপাধিই না দেওয়া হয়েছে রাত কা রানি।

কনকসুধা নামের মধ্যেই একধরনের মাধুর্য আছে। আছে মায়াময়তাও। এই নামের আড়ালে ঢাকা পড়েছে গাছটির ভিনদেশি পরিচয়।

মৌলভীবাজারে মনু নদের পাড়ে শান্তিবাগ ওয়াকওয়েতে একাধিক অশোকগাছে এখন ফুল ফুটেছে। পাতার ফাঁকে ফাঁকে কমলা রঙের ফুল দূর থেকেই পথিককে আকর্ষণ করে।

রঙিন আর সুবাসিত ফুল কি শুধু মৌমাছিকে আকর্ষণ করার জন্যই তৈরি? মৌমাছি তো একটি অতি সাধারণ বা অনাড়ম্বর ফুলেও বসতে পারত, তবে কেন প্রকৃতিতে রঙের এই বিপুল সমারোহ?

পাটের চটে সুই-সুতার ফোঁড়ে ফুটে উঠছে ফুল, পাখি, লতাপাতা। গ্রামবাংলার দৃশ্যপট থেকে শুরু করে মোনালিসার মুখও তৈরি হচ্ছে নিপুণ হাতে।

শরতে–হেমন্তে ফুল ঝরে পড়ে থাকে আঙিনাজুড়ে। তা পেরিয়ে এগোলেই নিচতলায় গ্যালারি কায়া।

ঊরুর চোটে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন ব্রাজিলের ফুল-ব্যাক ওয়েসলি। তাঁর পরিবর্তে দলে ডাকা হয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দিতে যাওয়া মিডফিল্ডার এদেরসনকে।

কালো রঙের পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে কালো জুতা, কানে গোঁজা ফুল—স্নিগ্ধ সাজে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি।

নর্ডিক দেশগুলো কবিতার মতো। মাথায় তাদের অরোরার মুকুট। শরীরটা রুপালি বার্চগাছের। পায়ের কাছে ফিওর্ডের জল। বছরের বেশিরভাগ সময় বরফে ঢাকা এই দেশগুলোর কবিতা তাই এক অদ্ভুত প্রশান্ত রূপের প্রতিচ্ছবি। এইসব দেশের কবিরা অনুপ্রেরণা পান প্রকৃতি থেকে—পান শক্তি ঘন বন, নীল হ্রদ, আর অরোরার নেচে নেচে যাওয়া আলো থেকে। তাঁদের কবিতায় জীবনের প্যাস্টেল রঙের ফুল ফোটে—হালকা নীল-বেগুনি-গোলাপি-সাদা।

মৌলভীবাজার শহর ও মনু নদের পাড়ে গ্রীষ্মে ফুটেছে হিজলের গোলাপি ফুল। ভোরের বাতাসে মৃদু ঘ্রাণ ভাসছে, ঝরা ফুলে পথ রঙিন। খুব সকালে না গেলে ফুলের সৌন্দর্য দেখা যায় না।