
ধ্বংসের এ ভয়াবহতা ধারণার চেয়েও বেশি
এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শিল্পী, রাজনীতিক, পেশাজীবীসহ অনেক দর্শনার্থী প্রদর্শনী দেখতে এসেছিলেন। ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহতা দেখে শিউরে উঠেছেন তাঁরা।

এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শিল্পী, রাজনীতিক, পেশাজীবীসহ অনেক দর্শনার্থী প্রদর্শনী দেখতে এসেছিলেন। ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহতা দেখে শিউরে উঠেছেন তাঁরা।

প্রদর্শনী দেখতে এসে নাট্যাভিনেত্রী ত্রপা মজুমদার হামলার ভয়াবহতা নতুনভাবে উপলব্ধি করার পাশাপাশি শিল্পের শক্তিতে আশার দিকনির্দেশনাও খুঁজে পেয়েছেন।

প্রদর্শনী দেখতে এসে চয়নিকা চৌধুরী জানালেন, এই ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর মনে হয়েছে—এ শুধু একটি ভবনের ক্ষতি নয়, গণমাধ্যম ও দেশের প্রতি আঘাতের এক গভীর প্রতীক।

উগ্রবাদীদের দেওয়া আগুনে দগ্ধ মুক্তকণ্ঠ ভবনে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনী ‘আলো’ ঘুরে দেখেন সারজিস আলম।

সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের দেওয়া আগুনে দগ্ধ মুক্তকণ্ঠ ভবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে তৈরি শিল্পকর্ম ‘আলো’র প্রদর্শনী।

দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে আজ বুধবার সকালে আফসানা মিমি আসেন প্রদর্শনী দেখতে। চারতলা ভবনের প্রতিটি ফ্লোর হেঁটে হেঁটে দেখেন। কোথাও গিয়ে অনেকক্ষণ স্থির দাঁড়িয়ে থাকেন।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে মুক্তকণ্ঠ ভবনে শিল্পী মাহ্বুবুর রহমানের শিল্প প্রদর্শনী ‘আলো’ দেখতে আসেন দেশের প্রবীণ-নবীন শিল্পী, স্থপতি, সাহিত্যিকসহ বিদগ্ধজনেরা।

প্রদর্শনী দেখতে এসে ব্যাংকার জান্নাতুন নাঈম বলেন, ‘আমি ধারণাও করতেও পারিনি এমন ঘটনা ঘটবে। এরপরও মুক্তকণ্ঠ পত্রিকা প্রকাশ করে দেখিয়েছে, তারা মাথা নোয়াবার নয়।’

অগ্নিদগ্ধ এই ভবনে ১৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে বিশিষ্ট শিল্পী মাহবুবুর রহমানের শিল্প প্রদর্শনী ‘আলো’।

জাতিসংঘ মিশনের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জয়ন্ত অধিকারী এসেছিলেন সস্ত্রীক। তিনি বললেন, ‘এই প্রদর্শনী হওয়া খুবই দরকার ছিল।

মুক্তকণ্ঠের আক্রান্ত ও অগ্নিদগ্ধ ভবনে গতকাল বুধবার শুরু হলো শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’।

শিল্পী ফারজানা আহমেদের একক প্রদর্শনী ‘আত্ম-অনুপস্থিতির সাক্ষ্য’ শুরু হয়েছে শুক্রবার লালমাটিয়ায় কলাকেন্দ্রে।