
বন্ধ পাম্পগুলো জব্দ করে প্রশাসনের তদারকিতে চালানোর উচিত
জ্বালানি সংকটের মধ্যে পাম্পমালিক ও সিন্ডিকেটের ধৃষ্টতা চরম আকার ধারণ করেছে। বন্ধ পাম্পগুলো জব্দ করে প্রশাসনের তদারকিতে চালানোর প্রস্তাব। সামরিক সহায়তায় সরাসরি বিতরণের বিকল্প মডেল চাই।

জ্বালানি সংকটের মধ্যে পাম্পমালিক ও সিন্ডিকেটের ধৃষ্টতা চরম আকার ধারণ করেছে। বন্ধ পাম্পগুলো জব্দ করে প্রশাসনের তদারকিতে চালানোর প্রস্তাব। সামরিক সহায়তায় সরাসরি বিতরণের বিকল্প মডেল চাই।

জ্বালানির অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম। বরাবরের মতো লোডশেডিংয়ের প্রায় পুরোটাই হচ্ছে গ্রামে।

বাংলাদেশে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে ২০টি থেকে নিয়মিত উৎপাদন চলছে, কিন্তু দৈনিক ১ বিসিএফ গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে। জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় সংরক্ষণ বাড়ানো, বিকল্প উৎস খোঁজা এবং দেশীয় সম্পদ উত্তোলনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানিসংকটের প্রেক্ষাপটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা আপাতত করছে না সরকার। প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভা এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস কঠিন হবে বলে মনে করছেন শিক্ষকরা।

রাজধানীর আসাদগেটের তালুকদার ফিলিং স্টেশনে পাম্প বন্ধ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষায় চালকরা। দেড়ঘণ্টা লাইন ধরে এগোনোর পর খবর পেলেন রাজ্জাক, তবু সারি ছাড়েননি। অন্য পাম্পে স্টিকার দিয়ে সারি নিয়ন্ত্রণ করছে কর্মীরা।

ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়, যুদ্ধবিরতি ও পরবর্তী পরিস্থিতিতেও তার আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি হয়নি।

জ্বালানিসংকট নিরসন ও রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিচারসহ চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট।

জ্বালানি ও সরকারি ব্যয় সংকোচনে মন্ত্রীদের গাড়ির মাসিক জ্বালানি ৩০% কমানো হয়েছে। কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার সুদমুক্ত ঋণ বন্ধ, অফিস সময়সীমা নির্ধারণ এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে।

দেশে পেট্রলের চাহিদা পুরোটাই দেশীয় উৎপাদন থেকে মেটানো হলেও সংকট চলছে কেন? ইরান যুদ্ধ, প্যানিক বায়িং এবং কাঁচামালের ঘাটতির কারণে ফিলিং স্টেশনে লাইন ফুরছে না। পেট্রল ও অকটেনের গুণগত পার্থক্য এবং চাহিদার হিসাব তুলে ধরা হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিন আইউবী সংসদে তেলের সংকট নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। অন্যান্য সংসদ সদস্যরা গ্যাস, রাস্তা, মুদ্রাস্ফীতি, নদীভাঙন ও সুন্দরবনের সমস্যা তুলে ধরে বিভিন্ন দাবি জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় এসব বক্তব্য উঠে এসেছে।

খুলনায় সড়ক যোগাযোগ অনুন্নত হওয়ায় মোটরসাইকেলই ভরসার যান। হাজারো মানুষ এই পেশায় জড়িত। কিন্তু জ্বালানিসংকট তাঁদের জীবনযাত্রাকে ওলটপালট করে দিয়েছে।

অকটেন, পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানোর তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে পরিবহন খাতে।