
ইরানে নতুন করে হামলার হুমকি দিয়ে সেদিনই সিদ্ধান্ত বদলালেন ট্রাম্প, নেপথ্যে কী
ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবারই ইরানে নতুন হামলার হুমকি দিচ্ছেন। তবে শেষ মুহূর্তে আবার সে অবস্থান থেকে সরে আসছেন। আবার একই কাজ করলেন তিনি।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবারই ইরানে নতুন হামলার হুমকি দিচ্ছেন। তবে শেষ মুহূর্তে আবার সে অবস্থান থেকে সরে আসছেন। আবার একই কাজ করলেন তিনি।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ (শান্তি পর্ষদ) যুগের প্রথম যুদ্ধ শুরু হলো। কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের শাসক পরিবর্তনের চেষ্টা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্প গতকাল এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এখন ইরানে নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে।’

যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি ইরানের।

সাম্প্রতিকতম মার্কিন হামলাগুলোর কয়েকটি দক্ষিণ ইরানে ও দৃশ্যত হরমুজ প্রণালির ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।

ইরানের পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারির পর ট্রাম্প এমন হুমকি দিয়েছেন।

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে বিমান ও নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় রাখছে।

ইরান আর বিপ্লবী রাষ্ট্র নয়। এটি এখন এক ভীত, কোণঠাসা ধর্মতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, যা আতঙ্ক নিয়ে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে আছে। তারা শুধু মার্কিন যুদ্ধজাহাজ বা ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের ভয়ে আছে, এমনটা নয়।

এ চুক্তিকে ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সাফল্যগুলোর একটি বলে উল্লেখ করেছেন।

লেবাননে ক্রমবর্ধমান হামলা চালানোর জন্য ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেন।

হতাশ ট্রাম্প কেন আবার ইরানে বোমাবর্ষণে নামলেন

হরমুজ প্রণালী খোলার আলটিমেটাম দিয়েছেন ট্রাম্প, না মানলে ইরানকে এক রাতে ধ্বংসের হুমকি। বিদ্যুৎকেন্দ্র-সেতু ধ্বংস যুদ্ধাপরাধ হলেও তা নিয়ে তিনি চিন্তিত নন। পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিসর মধ্যস্থতায় কাজ করে যাচ্ছে।