
প্রচার শেষে শান্তিপূর্ণ ভোটের অপেক্ষা
১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট।

১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে গাজীপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী মালামাল বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে চার দিনের ছুটি থাকছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলেছে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন। তবে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর পক্ষে বা ‘না’–এর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণকে কোনোভাবে আহ্বান জানাতে পারবেন না।

গতকাল কূটনীতিকদের ব্রিফ করেছিল ইসি। সে বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে কূটনীতিকদের ব্রিফিং করা হয়েছে।

জনগণ যদি সচেতনভাবে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সেটিকে বিজয়ী করে, তাহলে এবারের গণভোট হবে একটি ঐতিহাসিক বার্তা

প্রধান বিরোধী দল হিসেবে সংসদে সংযত থাকলেও রাজপথে সক্রিয় জামায়াত। স্থানীয় নির্বাচন ঘিরেও প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি।

সভায় হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, নতুন সরকারের কাছে গণভোটের রায়ের মাধ্যমে সংবিধান সংস্কারের প্রত্যাশা করেছিল জনগণ।

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান সংবিধান সংস্কারের পক্ষে কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিলেও সংশোধনের পক্ষে নয়।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের নিয়ে ফোরাম গঠনের মাধ্যমে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের কথা বলেছেন মজিবুর রহমান মঞ্জু।

বদিউল আলম মজুমদার রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, বিএনপি জুলাই সনদ নিজেদের মতো করে বাস্তবায়ন করতে চায়। চট্টগ্রামে এক সেমিনারে তিনি বলেন, গণভোটে জনগণ বিএনপির ভিন্নমত খারিজ করেছে। অন্যান্য নেতারাও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।