
অসুস্থ-অক্ষম ও মুসাফিরের রোজার বিধান
পবিত্র কোরআনের বাণী, ‘আল্লাহ কোনো সত্তাকে তার সামর্থ্যের অধিক দায়িত্বভার চাপিয়ে দেন না।’

পবিত্র কোরআনের বাণী, ‘আল্লাহ কোনো সত্তাকে তার সামর্থ্যের অধিক দায়িত্বভার চাপিয়ে দেন না।’

ইবাদত মানে কেবল জায়নামাজে দাঁড়িয়ে থাকা নয়; বরং সঠিক নিয়তের মাধ্যমে একজন মুমিন তার জীবনের অতি সাধারণ কাজগুলোকেও ইবাদতে রূপান্তর করতে পারেন।

দীর্ঘ ১৭ মাস বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামাজ পড়ার কাবার দিকে কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ এলে, বিরোধী পক্ষ থেকে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়।

একটি সাধারণ প্রশ্ন প্রায়ই উত্থাপিত হয়—সাত আসমান বলতে আসলে কী বোঝানো হয়েছে? এগুলো কি আমাদের বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর, নাকি এর বিস্তার দৃশ্যমান মহাবিশ্বেরও বাইরে?

দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, মানুষ বিনা মূল্যে পাওয়া এই নেয়ামতগুলোকে অনেক সময় গুরুত্বহীন মনে করে এবং সেগুলোর যথেচ্ছ অপব্যবহার করে। অনেকে চোখ দিয়ে নিষিদ্ধ বস্তু দেখে।

কোরআনের তাফসিরের ক্ষেত্রে ভিত্তিহীন বর্ণনার ব্যাপারে আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যে বর্ণনা একজন নবীর চারিত্রিক পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ণ করে, তা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

নবীজি (সা.)-এর যুগে মারওয়ায় কোরবানি হতো না; বরং মিনায় কোরবানি হতো, যা মক্কা থেকে তিন মাইল দূরত্বে অবস্থিত। তথাপি তিনি মারওয়াকে কোরবানির স্থান বলেছেন।

কোরআন রমজানে এখানকার প্রতিটি মসজিদ মুখরিত থাকে কোরআন তিলাওয়াতে। বিশেষ করে শিশুদের উৎসাহিত করার জন্য পাড়ায় পাড়ায় হাফেজদের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

পরিবারকে সময় না দিয়ে সারা দিন কোরআন পড়াটাও এক রকম ইসরাফ হতে পারে—কারণ, কোরআনই আমাদের শেখায়, পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালনও ইবাদতের অংশ।

কোরআন ও হাদিসে বারবার তাকওয়া অর্জনের প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। অন্তরে আল্লাহভীতি জাগ্রত করার জন্য ১০ উপায় বিশেষভাবে কার্যকর।

কোরআন ও হাদিস থেকে মক্কা ও মদিনার এমন কিছু নির্দিষ্ট স্থান ও মুহূর্তের কথা জানা যায়, যেখানে দোয়া কবুল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।

কোরআন ও হাদিসের আলোকে আল্লাহর ভালোবাসা লাভের তিনটি প্রধান নিদর্শন তুলে ধরা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে সমাজে গ্রহণযোগ্যতা, দুনিয়ার মোহ থেকে মুক্তি এবং পরীক্ষার সম্মুখীন হওয়া। যাঁরা এই আলামতগুলো পান, তাঁরাই পরম করুণাময়ের প্রিয়ভাজন।