
পথের ভ্রান্তি, বসন্তের মাধুরী ও বনের বেতার
এই কবিতায় পথের ভ্রান্তি, বসন্তের মাধুরী ও ধূলি-বালির মিশ্রণ ফুটে উঠেছে। মলিন কথা ফুরিয়ে বনের বেতার চালু হবে। আগামীকালের বাসনায় রঙিন হওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে।

এই কবিতায় পথের ভ্রান্তি, বসন্তের মাধুরী ও ধূলি-বালির মিশ্রণ ফুটে উঠেছে। মলিন কথা ফুরিয়ে বনের বেতার চালু হবে। আগামীকালের বাসনায় রঙিন হওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে।

বসন্তের নির্জন পাতাছায়ায় একাকী পথচলার কাব্যিক চিত্র। দিন শেষ না হলেও বিদায়ের মুহূর্ত, অপেক্ষিত বাঘের ছায়া এবং সুন্দরবনের তীরে অপেক্ষা। পরিতৃপ্ত চোখে ফিরে যাওয়া এবং গভীরে আলোর অনুসন্ধানের অনুভূতি।

হিয়া বসন্তের একঘেয়েমি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বহুদিনের একই রকম হাওয়া, গান আর কোকিলের রব কি আর ভালো লাগে না? লেখক বসন্তকে সকল মাসে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

কলিঙ্গযুদ্ধের ছেঁড়া দিনলিপি থেকে শুরু করে ভূত-প্রেতের কবিতাপ্রেম এবং সরস্বতীর প্রশংসায় এই অশেষ কবিতালিপি। শিশুদের হারানো পিং পং বলের খোঁজ আর কবিদের পলায়নের ছবি আঁকা হয়েছে এতে। দৈনিকের সাহিত্যপাতায় ছাপা এই রচনায় পাঠকরা অভিভূত।

আলোর ভয়ে ছড়ানো ফোয়ারা ফুল, লোভে পড়া যৌনতরু এবং মিথ্যের জালে আটকে রাজহাঁসের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে এই লেখায়। আত্মবন্দী এক মানুষের চরকায় সুতোকাটা এবং মায়ার প্রতিবিম্বের কথা উঠে এসেছে। অর্থ-জ্ঞানে কোনো বৃহস্পতি নেই বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

যদি-না সাড়া দাও, বুঝে নেব—এ তোমার স্বেচ্ছা-নির্বাসন।

মাঝে মাঝে কার কাছে যাব সবারই তো ক্ষত, পোড়া দাগ

তোমার বুকে বাজুক শর্তহীন প্রেমের ডামাডোল, চোখে লেখা হোক শ্রেণিহীন প্রাণের বিন্যাস।

মহাকালের মহানদের খলবলে জলভান্ডার, শিকড়গুলোকে ডুবিয়ে রাখে অরিক্ততার অসামান্য ভোজে।

মা–পাখিটা আজব রাখাল সেজেছে এক—খুলে খুলে শিমুল তুলার ঝাঁক, ওড়ায় হা–হা–শূন্য—আকাশের দিক।

প্রদগ্ধ হৃদয়—সে–ও অন্ধ বাদুড় এক—প্রক্ষেপণ করে শ্রুতির অধিক প্লুতস্বর— সংবিগ্ন স্যানিটোরিয়াম, নিক্রপলিসের কোনো মর্মর দেয়ালে…

বুকে প্রেক ঠুকে ঠুকে শীতল দাহের পর কবেকার প্রেমপত্রখানি পড়ে চোখে