
বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রশ্নে ভিন্ন পথে বিএনপি
৩১ দফা ও ইশতেহারে বিএনপি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলেছে; কিন্তু বাতিল করেছে দুই অধ্যাদেশ।

৩১ দফা ও ইশতেহারে বিএনপি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলেছে; কিন্তু বাতিল করেছে দুই অধ্যাদেশ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুকে এ অর্থবছরে বিনা মূল্যে স্কুলড্রেস দেওয়া হবে। নির্বাচনী ইশতেহারের কার্যক্রম বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির খবরও দেন তিনি। কারিগরি শিক্ষা ও ভাষাদক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগের বিবরণ উল্লেখ করেন।

নির্বাচনী ইশতেহারে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের অঙ্গীকার করে বিএনপি। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দেড় হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নিতে যাচ্ছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি তার নির্বাচনী ইশতেহারে নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে প্রথম যে অঙ্গীকারটি করেছিল তা হলো, দেশের ৪ কোটি প্রান্তিক পরিবারের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৫০ লাখ দরিদ্র গ্রামীণ পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে।

সহায়তা সরাসরি নারীর হাতে গেলে পরিবারের খাদ্যনিরাপত্তা ও শিশুদের শিক্ষায় ব্যয় বাড়ে। পাশাপাশি পিতামাতার ভরণপোষণ আইন কার্যকর করার কথাও বলা হয়েছে।

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লিখিত স্বাস্থ্য খাতের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে ১৩ সদস্যের একটি ‘সেল’ করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে বিতর্ক কোনো নতুন বিষয় নয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘মেধাতান্ত্রিক’ শাসনব্যবস্থা বা মেরিটোক্রেসি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মেরিটোক্রেসি কি শুধু পরীক্ষায় পাওয়া নম্বরের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে? না, বস্তুত মেরিটোক্রেসি হলো দক্ষতা, যোগ্যতা, সততা ও কর্মদক্ষতার সমন্বিত রূপ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় এই অঙ্গীকারগুলো করেছে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি।

জামায়াত তার ইশতেহারে ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ২ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশে রূপান্তর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবসম্মত?

পরবর্তী সরকারের কাছে ন্যায়ভিত্তিক, নিরাপদ, সুশাসিত ও সাম্যভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা উঠে এসেছে নাগরিক ইশতেহারে।

ইশতেহারে নারী শ্রমিকদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি ছয় মাসে উন্নীত করার সুপারিশ করা হয়েছে।