
উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনায় হামলার পেছনে ইসরায়েল, ইরান কিসের ভিত্তিতে এমন দাবি করছে
আরব উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি ও বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে ইসরায়েল বেশ কিছু ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান।

আরব উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি ও বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে ইসরায়েল বেশ কিছু ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান।

প্রশ্ন হলো, ইসরায়েল কীসের জন্য ‘প্রস্তুত’? জবাবটা দেওয়া আছে বিলবোর্ডেই। সেখানে লেখা আছে—‘ইট ইজ টাইম ফর আ নিউ মিডলইস্ট’।

মধ্যপ্রাচ্যে যেকোনো সংকট তৈরি হলেই প্রথম যে শঙ্কা মানুষের মনে উঁকি দেয় সেটা হলো, তেলের দামের কী হবে।

ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক বিষয়ে একটি চুক্তি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ইরানে আজ শনিবার ভোরে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে যুক্তরাষ্ট্রের এ অভিযানে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা, দুটি বিমানবাহী রণতরি ও বোমারু বিমান অংশ নিচ্ছে।

ইরান থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ।

ইরানে হামলা চালানো হবে কি না, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রমেই বিরক্ত ও হতাশ হয়ে পড়ছেন বলে জানা গেছে।

ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের পর ইরান রোববার ভোরে ইসরায়েল ও কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। কুয়েত ও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ইরানের হামলার জবাব দিচ্ছে। এক মাস ধরে চলা যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য ছড়িয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতি অস্থির করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ১০৩ ডলার ছাড়িয়ে ১০০ ডলারের আশপাশে ওঠানামা করে। ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বহাল রয়েছে বলে জানান। ইরানের গণমাধ্যমও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে দাবি করে।

আগামী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হওয়ার কথা। এর মধ্যেও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন জনপদে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।