
হালাল ক্যারিয়ার গঠনে ইসলামের ৫ নীতি
কর্মক্ষেত্রে সততা বজায় রাখা ও কর্মীর অধিকার নিশ্চিত করা ইসলামের দৃষ্টিতে কেবল পেশাগত দায়িত্ব নয়; বরং এটি একটি বড় ইবাদত।

কর্মক্ষেত্রে সততা বজায় রাখা ও কর্মীর অধিকার নিশ্চিত করা ইসলামের দৃষ্টিতে কেবল পেশাগত দায়িত্ব নয়; বরং এটি একটি বড় ইবাদত।

শারীরিক শ্রম ও কষ্টসাধ্য অনেক ইবাদত থেকে ইসলাম প্রতিবন্ধীদের হয় সম্পূর্ণ অব্যাহতি দিয়েছে অথবা সহজ বিকল্প ব্যবস্থা রেখেছে। জুমা ও জামাতের বাধ্যবাধকতা থেকে প্রতিবন্ধীরা মুক্ত।

কোরআনের প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি আয়াত হেদায়েত, রহমত ও কল্যাণে পরিপূর্ণ। তাই কোরআন তিলাওয়াত করা যেমন ইবাদত, তেমনি এর আদব রক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

একজন মুমিন কীভাবে ঘর থেকে বের হবে, এ বিষয়েও ইসলামের রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম ও আদব। এগুলোর অনুসরণ করলে ইহকালীন কাজকর্মও ইবাদত হবে।

হজের দীর্ঘ পথচলায় পায়ের যত্ন নেওয়া জরুরি। সঠিক স্যান্ডেল নির্বাচন, ভুল এড়ানো এবং প্রতিদিন যত্নের উপায় জানুন। এতে ইবাদত স্বস্তিময় হয়।

ইসলামে শ্রমকে ইবাদত বলা হয়েছে। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘অতঃপর যখন নামাজ পূর্ণ করা হবে, তখন জমিনে ছড়িয়ে পড়ো; আর আল্লাহকে অধিক স্মরণ করো—আশা করা যায় তোমরা সফল হবে।’ (সুরা-৬২ জুমুআহ্, আয়াত: ১০)

আল্লাহর মেহমানদের সেই পথের প্রতিটি ধাপ সহজ করতে এবং নির্ভুলভাবে ইবাদত পালনে সহায়তা দিতে এবারও ‘হজ গাইড’ ও ‘ওমরাহ গাইড’ প্রকাশ করেছে মুক্তকণ্ঠ।

রমজান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকে পুরনো অনৈতিক অভ্যাসে ফিরে যান, মসজিদ ফাঁকা হয়ে যায়। এটি ‘রমজানি’ মানুষের চিহ্ন, যাদের ইবাদত এক মাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ। সত্যিকারের ‘রব্বানি’ হতে হলে সারা বছর ধর্মানুশীলন অব্যাহত রাখতে হবে।

বছর বছর ঈদ আসে। ঈদ ধর্মীয় উৎসব। তবে ধর্মীয় তাৎপর্য ছাপিয়েও ঈদ উৎসবের প্রভাব জনজীবনের অনেক গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত। সে কারণেই ঈদে ইবাদত হয়, নামাজ হয়, কোলাকুলিও হয়।

জাকাত নির্ধারিত আর্থিক ফরজ ইবাদত। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘তাদের ধনসম্পদে আছে প্রার্থী ও বঞ্চিতের হক বা ন্যায্য অধিকার।’

রমজান মাসে সঠিকভাবে সিয়াম সাধনা ও ইবাদত পালনের জন্য শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রস্তুতি অত্যন্ত জরুরি।

আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাস রমজান। আর ইমানের পরে শ্রেষ্ঠ ইবাদত হলো নামাজ। নফল নামাজের মতো খাস ইবাদতের জন্য দিন অপেক্ষা রাত উত্তম।