
তওবা কী, কীভাবে করবেন
জীবনের নিশ্চয়তা না থাকলেও একটি বিষয়ের নিশ্চয়তা আছে—দয়াময় আল্লাহ আমাদের জন্য তওবার দরজা খোলা রেখেছেন, যা প্রাণ কণ্ঠে পৌঁছে যাওয়ার আগপর্যন্ত বন্ধ হয় না।

জীবনের নিশ্চয়তা না থাকলেও একটি বিষয়ের নিশ্চয়তা আছে—দয়াময় আল্লাহ আমাদের জন্য তওবার দরজা খোলা রেখেছেন, যা প্রাণ কণ্ঠে পৌঁছে যাওয়ার আগপর্যন্ত বন্ধ হয় না।

নামাজ মানুষের জীবন সুন্দর ও আলোকিত করে। নামাজ সফল মুমিনের প্রধান গুণ। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই সফলতা লাভ করেছে মুমিনগণ, যারা নামাজে আন্তরিকভাবে বিনীত।’

মৃত্যু কোনো দূরবর্তী সম্ভাবনা নয়। এটি এমন এক বাস্তবতা, যা প্রতিনিয়ত আমাদের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তাই প্রতিটি মুমিনের উচিত মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ করা।

আমরা কোরআনের অনেক আয়াতেই দেখতে পাই, জৈবিক ও আত্মিক, দুনিয়া ও আখেরাতের অগ্রাধিকার ও ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষার মধ্যে সমন্বয় করার কথা বলা হয়েছে।

হজ থেকে ফিরে আসার কয়েক মাস পরই সেই আবেগ ও পরিবর্তনের দীপ্তি ম্লান হয়ে যায়। হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন ধরে রাখতে কয়েকটি কাজ করা যেতে পারে।

ইংরেজ আমলে রংপুর অঞ্চলে বেশ কিছু জমিদার ও রাজপরিবার এসে আবাস গড়ে তুলেছিল এবং নিজেদের রাজত্ব ও জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেছিল। তার মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রাজবংশ হলো তাজহাট রাজবংশ, ডিমলা রাজবংশ এবং কাকিনা রাজবংশ। অন্যদিকে জমিদার বংশগুলোর মধ্যে ভিতরবন্ধ জমিদার বংশ ও কুণ্ডি জমিদার বংশ বিশেষভাবে পরিচিত। এ ছাড়া ইটাকুমারী জমিদার, মন্থনা জমিদার, তুষভান্ডার জমিদার এবং মহিপুর জমিদারদের নামও উল্লেখযোগ্য।

তওবা করার সময় যদি মনে এই ধারণা থাকে যে সুযোগ হলে আবারও এই কাজ করব, তবে তা আদৌ তওবা বলে বিবেচ্য হবে না এবং আল্লাহর কাছে তা কবুলও হবে না।

অনেকেই মনে করেন, মুত্তাকি মানেই এমন ব্যক্তি যার কখনো কোনো গুনাহ হয় না; অথচ কোরআনের শিক্ষা হলো, মুত্তাকি মানেই নিষ্পাপ মানুষ নয়।

যদিও হজ কবুল হওয়া বা না হওয়া সম্পূর্ণভাবে আল্লাহ-তাআলার এখতিয়ারভুক্ত, তবে যদি কবুল হয়, তবে বাহ্যিকভাবে জীবনে ইতিবাচক কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়।

বর্তমান রাজস্বব্যবস্থা এখনো কাগজের ফাইলের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। অতিরিক্ত নিয়মকানুন আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে উদ্যোক্তাদের অহেতুক সময় ও অর্থের অপচয় হয়।

পবিত্র স্থানকে ঘিরে সমাজে রয়েছে একটি বহুল প্রচলিত ধারণা—‘ওখানে নেক আমল করলে যেমন লক্ষ গুণ বেশি সওয়াব, তদ্রূপ পাপও বৃদ্ধি পাবে এক লক্ষ গুণ।’

সম্প্রতি প্রকাশিত ছোট্ট একটা খবর হলো—পাকিস্তান বাংলাদেশের উচ্চপদস্থ কিছু আমলাকে পাকিস্তানের সিভিল সার্ভিসেস একাডেমিতে ট্রেনিং দিয়েছে। এর সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বহন করছে পাকিস্তান। যদিও বলা হয়েছে, এ প্রশিক্ষণ বাংলাদেশি আমলাদের ‘নেতৃত্ব ও দক্ষতা’ উন্নয়নের জন্য, কিন্তু পাকিস্তানের জন্য এর উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য সুফল আরও প্রসারিত।