
দায়মুক্তি কী, অতীতে কোন কোন ক্ষেত্রে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছিল
‘জুলাই যোদ্ধাদের’ দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিতে অধ্যাদেশ করার উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি করতে আইন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে।

‘জুলাই যোদ্ধাদের’ দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিতে অধ্যাদেশ করার উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি করতে আইন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত এই ব্যাংকের অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত। এখন আছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। উপদেষ্টা পরিষদ তা অনুমোদন করলেই জারি হবে অধ্যাদেশ।

সংবাদ সম্মেলনে ‘অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ প্রণয়নে সংস্কারবিমুখতা’ শীর্ষক টিআইবির একটি পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করা হয়।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ–২০২৬ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

বৈঠকে স্বাধীনতার পর যে কয়বার দায়মুক্তি দিয়ে আইন ও অধ্যাদেশ জারি হয়েছে, তা পর্যালোচনা করা হয়।

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং ২০২৫ সালের গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিল প্রশ্নে রুল।

মৌলিক সংস্কার সম্পর্কিত অধ্যাদেশগুলো বাতিল করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ।

জাতীয় সংসদে ব্যাংক রেজোল্যুশন বিল পাস হয়েছে। নতুন ১৮(ক) ধারায় একীভূত দুর্বল ব্যাংকের পুরোনো শেয়ারধারীরা নির্দিষ্ট শর্ত পালন করে মালিকানায় ফিরে আসতে পারবেন। অধ্যাদেশের মূল কাঠামো অক্ষুণ্ণ রয়েছে।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশে সংশোধনী নিয়ে রাজনৈতিক সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ তুলে বিরোধী দল জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে। সরকারি দলের তিনটি সংশোধনী গৃহীত হয়েছে, যা সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ায়। বিরোধী নেতা শফিকুর রহমান নেতৃত্ব দেন এই প্রতিবাদে।

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের করা সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশকে স্থায়ী আইনে রূপ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দৈনিক মুক্তকণ্ঠ ৩ এপ্রিল জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১৬টি শিগগিরই অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। এসবের মধ্যে বিচারক নিয়োগ, গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার কমিশন ও দুদকের ক্ষমতা বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে।

জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল পাস হয়েছে, যাতে আওয়ামী লীগসহ সন্ত্রাসী সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান অটুট রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ২০২৫ সালের ১১ মে জারি অধ্যাদেশটি এভাবে আইন হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা সময়ের অভাব দেখিয়ে আপত্তি জানালেও বিল কণ্ঠভোটে পাস হয়।

দেশের অর্থনীতি জটিল সময় পার করছে, তবে প্রবাসী আয় ভালো। আইএমএফের সংস্কার শর্ত থেকে পিছু হটলে সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হবে। রাজস্ব ও ব্যাংক খাতের অধ্যাদেশগুলো আইনে রূপান্তর জরুরি।