
ইরানের মিত্র মস্কো ও বেইজিং কোথায়, কেন দূরত্ব বজায় রাখছে তারা
ইরানের দুই শক্তিশালী কূটনৈতিক মিত্র রাশিয়া ও চীন। তেহরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া এ যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে দেশ দুটি।

ইরানের দুই শক্তিশালী কূটনৈতিক মিত্র রাশিয়া ও চীন। তেহরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া এ যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে দেশ দুটি।

নতুন করে বিপজ্জনক হয়ে ওঠা এই অঞ্চলের আকাশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

নস্ট্রাডামাস ছিলেন ১৬ শতকের একজন ফরাসি জ্যোতিষী

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও সম্পদের ওপর ইরানের হামলায় ব্যবহৃত প্রতিটি ড্রোন তাঁরা না–ও ভূপাতিত করতে পারেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা।

আরব উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি ও বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে ইসরায়েল বেশ কিছু ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান।

চীনা যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ, অবকাঠামোগত সামগ্রী থেকে শুরু করে আরও অনেক কিছু কেনে ইরান।

প্রশ্ন হলো, ইসরায়েল কীসের জন্য ‘প্রস্তুত’? জবাবটা দেওয়া আছে বিলবোর্ডেই। সেখানে লেখা আছে—‘ইট ইজ টাইম ফর আ নিউ মিডলইস্ট’।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্র বেশ জোর দিয়েই বলছে, দীর্ঘস্থায়ী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা তাদের সামরিক বাহিনীর রয়েছে।

ইরানি কুর্দিদের এমন একটি সশস্ত্র অভ্যুত্থান ইরানের স্থিতিশীলতার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে যুক্তরাষ্ট্রের এ অভিযানে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা, দুটি বিমানবাহী রণতরি ও বোমারু বিমান অংশ নিচ্ছে।

এসব প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে খ্রিষ্টান চরমপন্থার আশঙ্কাজনক বৃদ্ধির প্রমাণ দিচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ স্যাটেলাইট চিত্রে।