
সুনামগঞ্জে ১টি আসনে ‘না’, ৪টিতে ‘হ্যাঁ’ জয়ী
সুনামগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে গণভোটে চারটিতে ‘হ্যাঁ’ এবং একটি আসনে ‘না’ জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে সংসদ নির্বাচনে জেলার পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

সুনামগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে গণভোটে চারটিতে ‘হ্যাঁ’ এবং একটি আসনে ‘না’ জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে সংসদ নির্বাচনে জেলার পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

ফল ঘোষণার পর বিভিন্ন স্থানে বিজয়ী প্রার্থীদের কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ–উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নরসিংদীর পাঁচটি আসনে বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। নরসিংদীর ছয়টি উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে কেন্দ্রভিত্তিক পাওয়া বেসরকারি ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।

ভোলার চারটি আসনেই বিএনপি ও তাদের জোটের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোর চারটার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শামীম রহমান বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুরের ৩টি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। এর আগে আটটি সংসদ নির্বাচনে সাতটিতেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা তিনটি করে আসনে জয়ী হন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের দুটি সংসদীয় আসনেই বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। ১৭ বছর আগে হারিয়ে ফেলা এই আসন দুটি অবশেষে পুনরুদ্ধার করেছে বিএনপি।

বিএনপির বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন, সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর-সিরাজগঞ্জ সদরের একাংশ) থেকে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সেলিম রেজা, সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ) আসন থেকে কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে কম বয়সী সংসদ সদস্য হচ্ছেন হান্নান মাসউদ, আর সবচেয়ে বেশি বয়সী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

প্রাথমিক ফল বিশ্লেষণ বলছে, আলোচনায় থাকা প্রার্থীদের বেশির ভাগই সুবিধা করতে পারেননি। আলোচনায় তুঙ্গে থেকেও হেরেছেন অনেকে। আবার কেউ কেউ জিতেছেনও।

হবিগঞ্জ জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন এসব আসনের বেসরকারি চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জের তিনটি আসনের সব কটিতেই বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আফরোজা খানম এক লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।

লক্ষ্মীপুর বিএনপি-প্রভাবিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। দলটি ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে জেলার চারটি আসনেই জিতেছিল। ২০১৪ সালে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচন বর্জন করে। একতরফা ওই নির্বাচনে সব আসন আওয়ামী লীগের দখলে চলে যায়। তবে আবারও জেলার সব কটি আসন জিতে ‘ঘাঁটি পুনরুদ্ধার’ করল বিএনপি।