
আওয়ামী লীগের ‘ক্ষোভের ভোটে’ জামায়াতের জয়, বিএনপির বিভক্তিও আলোচনায়
ফরিদপুর-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর আগে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রার্থীর জয়ের রেকর্ড ছিল না।

ফরিদপুর-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর আগে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রার্থীর জয়ের রেকর্ড ছিল না।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পেয়েছিলেন মো. আসাদুজ্জামান, এরপর ভোটের লড়াইয়ে নেমে হন সংসদ সদস্য। প্রথমবার আইনপ্রণেতা হয়েই মন্ত্রী হলেন এই আইনজীবী।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে বিএনপির প্রতিনিধিদের শপথ না নেওয়ার ফলে দলটির ও দেশের জন্য নতুন সূচনা যথার্থ হলো না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। তাঁর জয়ের ব্যাপারে দলটির নেতা-কর্মীরা শুরু থেকেই বেশ আশাবাদী ছিলেন। তবে ৩৩ হাজার ৬৫৪ ভোটের ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদের কাছে পরাজিত হন তিনি।

রাষ্ট্রপতির কোনো আদেশ যদি তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত শপথের বাইরে নতুন কোনো শপথ গ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা করে, তা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে দাঁড়াবে।

গণভোটে সমর্থন পাওয়া মানেই প্রতিটি প্রস্তাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়ে যাবে, এমন নয়। বিশেষ করে যখন প্রস্তাবগুলো বহুবিধ এবং জটিল। সংবিধান সংশোধনের জন্য সংসদে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

বাংলাদেশের রাজনীতির এই পর্যায়ে এসে আবারও স্পষ্ট হয়েছে যে আমাদের সংকটের কেন্দ্রবিন্দু সংবিধান। গণ-অভ্যুত্থানের পর যে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছিল, সেটাকে কীভাবে সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে স্থিতিশীল ও টেকসই রূপ দেওয়া যায়, সেই প্রশ্নটাই এখন প্রধান বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে।

গণভোটের ফলাফল স্থগিত চেয়ে রিট

সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী আবেদনকারী হয়ে আজ মঙ্গলবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন।

নেত্রকোনার পাঁচটি আসনের মধ্যে শুধু নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আবু তাহের তালুকদার কেন পরাজিত হলেন, সেই হিসাব কষছেন নেতারা।

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিশাল জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। যারা এর আগের কোনো জাতীয় নির্বাচনে ১৭টির বেশি আসন পায়নি, তারা এবার জোট বেঁধে ৭৭টি আসন দখল করেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি আসনের মধ্যে বিএনপি পেয়েছে ২৮টি, আর জামায়াত পেয়েছে ১১টি। বিএনপি আসন বেশি পেলেও ভোটে এগিয়েছে জামায়াত।