
চট্টগ্রামের ১৪ আসনে বিএনপির কোন প্রার্থী কত ভোট পেলেন
শুধু চট্টগ্রাম-৮ নয়, চট্টগ্রামের ১৪টি আসনে প্রদত্ত ভোটের প্রায় ৫৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা পেয়েছেন ৩১ শতাংশ ভোট।

শুধু চট্টগ্রাম-৮ নয়, চট্টগ্রামের ১৪টি আসনে প্রদত্ত ভোটের প্রায় ৫৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা পেয়েছেন ৩১ শতাংশ ভোট।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমি আপনাদের ঘরের সন্তান তারেক বলছি। বহু বছর পর আপনাদের এলাকায় এসেছি। এর আগে যখন আসতাম তখন এলাকা ঘুরে ঘুরে আপনাদের সাথে কথা বলতাম, কাজ দেখতাম।’ আজ শনিবার বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ যাওয়ার পথে শাজাহানপুরে পথসভায় তিনি এ বক্তব্য দেন।

নড়াইল-২ আসনের (সদরের একাংশ ও লোহাগড়া) বিএনপি ও দলের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন।

আওয়ামী লীগের এই নেতার নাম সালাউদ্দিন আহমেদ মজুমদার। তিনি উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। সালাউদ্দিন আহমেদ ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অবস্থিত সরকারদলীয় সভাকক্ষে সরকারি দলের এই সংসদীয় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করে বলেছেন, বলা হচ্ছে তাহাজ্জুদ নামাজের পর ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে। তাহাজ্জুদের পরেই তারা সিল মারার পরিকল্পনা করছে। ভোটকেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করছে। তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের নেতা-কর্মীরা এসব ষড়যন্ত্র রুখে দেবেন।

জাতীয় নির্বাচনের আগে ঢাকা ও শরীয়তপুরে অস্ত্র উদ্ধার এবং মুন্সিগঞ্জে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে গত রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাঁদের নির্বাচনী এজেন্ট এবং পরিচয়পত্রধারী দেশি ও বিদেশি পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে।

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ হতে পারে সর্বোচ্চ আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে। এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ।

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা আগামী মঙ্গলবার জাতীয় পতাকাবাহী গাড়িতে চড়ে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যাবেন।