
মধ্যপ্রাচ্যে অস্থির সময় পার করছেন মার্কিন সেনারা
মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি ও রণতরিগুলোতে থাকা সেনারা এক অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি ও রণতরিগুলোতে থাকা সেনারা এক অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ উপসাগরীয় অঞ্চলের পুরোনো নিরাপত্তাকাঠামোকে ভেঙে দিয়েছে।

হরমুজ প্রণালি বন্ধের কারণে সরবরাহ কমে যাওয়া, যুদ্ধ-পরবর্তী ভাসমান মজুত শেষ হওয়া, এশিয়ায় শোধনাগার উৎপাদন হ্রাস—এসব কারণে বিপর্যয়ের শঙ্কা আছে।

গত ছয় মাস ধরে অস্থির পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্ত। ইরান যুদ্ধের কারণে তা প্রচারে তেমন না এলেও হতাহতের সংখ্যা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের চেয়ে বেশি।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ (শান্তি পর্ষদ) যুগের প্রথম যুদ্ধ শুরু হলো। কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের শাসক পরিবর্তনের চেষ্টা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিতীয় দফা আলোচনার সম্ভাবনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুড ৯৮.৪০ ডলারে এবং ডব্লিউটিআই ৯৭.৪০ ডলারে নেমেছে। এশিয়ার শেয়ারবাজারেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধে মধ্যস্থতা করতে পাকিস্তান চাপে পড়েছে। ইসরায়েলের বেসামরিক হামলা ও মার্কিন সেনা মোতায়েনের মধ্যে পাকিস্তান শান্তি আলোচনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসলামাবাদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শুরু হয়েছে।

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ একটি প্রস্তাব পাস করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে পোপ চতুর্দশ লিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইরান-হুমকির কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি এটাকে ‘সত্যিই অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেন এবং কূটনীতির আহ্বান জানান। এরপরই ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন।

ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সতর্কতায় বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১১৬ ডলার ছাড়িয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর তেলের দাম সর্বোচ্চ ৬৬ শতাংশ বেড়েছে। এশিয়ার শেয়ারবাজারে সূচক পতন শুরু হয়েছে।

ইরানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও জায়নবাদী ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে যে সুসম্পর্ক ছিল, তাতে এখন টানাপোড়েন দেখা দিচ্ছে।