
উত্তাল ইরানে খামেনি শাসন কি টিকবে
প্রথমবারের মতো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য শুধু নিষেধাজ্ঞাকেই দায়ী করা যায় না।

প্রথমবারের মতো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য শুধু নিষেধাজ্ঞাকেই দায়ী করা যায় না।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা ইরানকে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শিল্প পুনর্গঠন করতে দেব না। আর অবশ্যই তাদের পরমাণু কর্মসূচি আবার শুরু করতে দেব না, যেটির ব্যাপক ক্ষতি আমরা করেছি।

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে গত সেপ্টেম্বরে ‘কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি’ (এসএমডিএ) সই হয়।

গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আগ্রাসন শুরু করে, তখন চীনের শীর্ষ নেতারা বন্ধুভাবাপন্ন আরেকটি দেশের সরকার পতনের আশঙ্কা করছিলেন।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজায় প্রবেশ ও বের হওয়ার পথগুলো এখনো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ইসরায়েল। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া খুব কম মানুষই গাজা ছাড়তে পারেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘ইরান যুদ্ধ’ শুরু করার পর থেকেই হরমুজ প্রণালির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে তেহরান।

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা ও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় গতকাল ৩৯ জন নিহত হয়েছেন, শিশুসহ। দক্ষিণাঞ্চলের সাকসাকিয়েহ শহরে সাতজন নিহতের মধ্যে এক শিশু ছিল। ইসরায়েল হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলার কথা স্বীকার করেছে।

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রভাবে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি, পর্যটন ও আর্থিক খাতে বড় ধাক্কা লেগেছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে কাতার ও কুয়েত।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কাছাকাছি। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালী চালু এবং পরমাণু আলোচনার পথ খুলবে। এতে তেলের দাম কমেছে, তবে ইসরায়েল লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আবারও প্রমাণ করেছে যে বিশ্ব অর্থনীতির একটি বড় দুর্বলতা হলো জ্বালানিনির্ভরতা।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালায়।