
হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু, এ পর্যন্ত মৃত্যু ৭১৬
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪৫ শিশু।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪৫ শিশু।

হাম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লেও এর ভয়াবহতা সরকার বুঝতে বা একে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করেন জনস্বাস্থ্যবিদ মুশতাক হোসেন।

ডিএনসিসি কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালে বর্তমানে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

চব্বিশ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ১৫৩ জনের।

মা হারানো শিশু ইউসুফ হাম ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে আইসিইউতে ছটফট করছে।

সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৪৩ জন। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ৯ হাজার ৫০৩ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের জাতীয় পোলিও, হাম, রুবেলা ল্যাবরেটরি এবং রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানে হামের জীবাণুর জিন বিশ্লেষণ।

১২ বছরের আঁখি, ৫ মাসের মাকতুমসহ অনেক শিশু হাম ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মরণ দাসের সাত মাসের ছেলে অভিষেক হামে আক্রান্ত হয়ে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। জীবিকার জন্য ছেলেকে হাসপাতালে রেখে ভোরে মাছের আড়তে কাজ করছেন বাবা। চট্টগ্রামে হাম ছড়িয়ে পড়ায় বহু অভিভাবক কঠিন সময় পার করছেন।

ঢাকার ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম ও জটিলতায় মারা যান পাঁচ মাসের মো. তাকরিম। ভোলা থেকে তিনটি হাসপাতাল ঘুরে মরদেহ নিয়ে ফিরছেন মা আমেনা বেগম ও বাবা মো. মহসীন। চিকিৎসায় সহায়তা করেছিলেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

হাম ও রোগটির উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। বিশেষায়িত ওয়ার্ডে জায়গা না পেয়ে অনেক শিশুকে এখনো সাধারণ ওয়ার্ডের বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

ময়মনসিংহ, বরিশাল ও সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বরিশালে দুজন, ময়মনসিংহে একজন এবং সিলেটে একজন শিশু প্রাণ হারিয়েছে। বিভাগগুলোতে হাম সংক্রমণের চাপ বাড়ছে এবং হাসপাতালে শিশু রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।