
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের লঙ্ঘন সহ্য করা হবে না: ভারতকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও
রুবিও ও জয়শঙ্কর হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।

রুবিও ও জয়শঙ্কর হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, যুদ্ধবিরতির অবশিষ্ট যে সময় আছে, সেই সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করবে।

ইসরায়েল ইরানের সাধারণ নাগরিকদের ট্রেন ও রেললাইন এড়িয়ে চলার সতর্কবার্তা দিয়েছে, যা বড় হামলার পূর্বসংকেত বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। হরমুজ প্রণালী নিয়ে ট্রাম্পের সময়সীমা শেষ হতে চলেছে এবং ইরান প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছে। যুদ্ধে ইরানে ২৭৬ জন নিহত।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে সাক্ষাৎকারে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং-এর প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, হলিউড সি-এর চরিত্রের জন্য তার মতো কাউকে খুঁজে পাবে না। চীন হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে চায় এবং বোয়িং জাহাজ, তেল কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুদ্ধবিরতির পর সেনাদের গুলি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন, তবে শর্ত না মানলে লড়াই চলবে। ১০ এপ্রিল শুক্রবার ইসলামাবাদে ১০ দফা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালী খোলার উপর নির্ভর করছে যুদ্ধবিরতি।

ট্রাম্পের কঠোর হুমকি সত্ত্বেও ফিলিপাইন, ভারত, পাকিস্তানসহ এশিয়ার দেশগুলো ইরানের সঙ্গে চুক্তি করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। উপসাগরীয় তেলের ওপর নির্ভরশীল এ দেশগুলো কূটনীতির মাধ্যমে পথ খুঁজে নিচ্ছে। তবে চুক্তিগুলোর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প ইরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের কথা বলেছিলেন। কিন্তু তা পারেননি; বরং এখন হরমুজ খুলতে পেরে তাঁকে খুশি থাকতে হচ্ছে।

ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে সম্মত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, এই ‘মহান চুক্তি’ পুরো অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা বয়ে আনবে।

মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, চুক্তির আওতায় ইরান অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে কি না, তা নির্ভর করবে দেশটি তার প্রতিশ্রুতি কতটা পূরণ করছে তার ওপর।

গতকাল বুধবার এ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তারা।

দোহায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা শেষ হলেও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি।

যুদ্ধ বন্ধ ও হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবারও জাহাজ চলাচলের বিষয়ে চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।