
চুক্তি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার জামায়াতের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি, দাবি শফিকুর রহমানের
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হওয়া বিভিন্ন চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হওয়া বিভিন্ন চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মতো দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের চেষ্টা করছে সরকার।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, বহু ত্যাগ ও কোরবানির বিনিময়ে আমরা ২৪ পেয়েছিলাম।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘পচা রাজনীতিকে আমরা পাল্টে দিতে চাই। এই পচা রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তন করতেই জামায়াতে ইসলামী রাজপথে নেমেছে।’

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘যাদের অতীতেও খাসলত খারাপ ছিল, এখনো যারা লোভ সামলাতে পারেনি, সেই বিড়ালের হাতে গোশত পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব দেবেন? এরা রাষ্ট্রের জনগণের জান, মাল এবং ইজ্জতের নিরাপত্তা দেবে? এখনই দিচ্ছে না, তখন দেবে?’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান আল–জাজিরার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, কখনো একজন নারী তাঁর দলের প্রধান হতে পারবেন না। কেন?

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট (সাবেক টুইটার) হ্যাকড হওয়ার ঘটনায় বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমকে ধরে নেওয়ার ১৯ ঘণ্টা পরও তাঁর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানাতে পারেনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা রাজনীতিতে রাজার ছেলে রাজা হবে—এই ধারা পাল্টে দেব ইনশা আল্লাহ। একজন শ্রমিক ভাই কিংবা বোনের সন্তান মেধাবী হলে তার মেধা বিকাশের দায়িত্ব নেবে রাষ্ট্র।’

আজ শুক্রবার দুপুরে ফেনীতে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান। সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। জেলার সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

চীন তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে তাতে জামায়াতে ইসলামী পূর্ণ সমর্থন দেবে।

জ্বালানিসংকট নিয়ে জাতীয় সংসদে কোন বিধিতে আলোচনা হবে—এ প্রশ্নে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মধ্যে বিতর্ক হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের দুটি ভোট। প্রথম ভোটটা হবে গণভোট। গণভোটে “হ্যাঁ” মানে আজাদি, “না” মানে গোলামি। তাহলে ১২ তারিখে ইনশা আল্লাহ সমস্ত মানুষকে নিয়ে আমরা “হ্যাঁ” ভোটের পাল্লা তুলব।’