
বিদ্যুৎ, জ্বালানির ‘অযৌক্তিক’ বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি
বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল ও গ্যাসের বর্ধিত মূল্যকে ‘অযৌক্তিক’ উল্লেখ করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল ও গ্যাসের বর্ধিত মূল্যকে ‘অযৌক্তিক’ উল্লেখ করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)।

গত ১০ মে ঢাকার বাজারে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের বাজারমূল্য ছিল ৩৪ টাকা। আজ লেনদেনের শুরুতে সেই দাম বেড়ে দাঁড়ায় সাড়ে ৮৭ টাকায়।

বাংলাদেশে পে স্কেল বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনায় মূল্যস্ফীতি ও জীবনমানের জটিল সম্পর্ক উঠে এসেছে।

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সিএনজি স্টেশনমালিকেরা কমিশন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন, না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

এবি পার্টি বিদ্যুৎ খাতে সংস্কার না করে জনগণের ওপর মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপানোর সমালোচনা করেছে।

জ্বালানি তেলের মূল্য দুই দফা বাড়ানোর পর বিদ্যুতের দামও এক দফায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে বাড়ানো হলো।

বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজক দলটির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা।

জামায়াত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ-মিছিল আয়োজন করে, বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির অভিযোগ তোলে।

বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমানোর দুটি উপায়। একটি হলো মূল্যবৃদ্ধি, অন্যটি ব্যয় কমানো।

গতকাল বুধবার জামায়াতের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

জ্বালানি তেলের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়াল সরকার।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক বিদ্যুতের মূল্য গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএসএমএ।