
আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের সমন্বয় ধর্ম
আর যদি বাঙালি মুসলমান সমাজের পক্ষ থেকে ধরি, তাহলে বলতে হয়, তিনি মুসলমানদের মধ্যে ‘বাঙালি’ পরিচয় উচ্চকিত করা অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।

আর যদি বাঙালি মুসলমান সমাজের পক্ষ থেকে ধরি, তাহলে বলতে হয়, তিনি মুসলমানদের মধ্যে ‘বাঙালি’ পরিচয় উচ্চকিত করা অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।

ফরহাদ মজহার দাবি করেন, মাজারে যেকোনো ধর্মের মানুষ অংশগ্রহণ করতে পারে। আস্তিক, নাস্তিক, হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ—প্রত্যেকেই মাজারকেন্দ্রিক সংস্কৃতির অংশ।

পবিত্র রমজান মাস বিদায় নিয়েছে। অনেক মুসলমান এই এক মাস ইবাদত-বন্দেগিতে খুব মশগুল থাকেন, কিন্তু মাস শেষ হতেই আবার আগের গাফিলতিতে ফিরে যান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, বিশ্বাসী, অবিশ্বাসী কিংবা সংশয়বাদী—আমরা সবাই মিলে ভালো থাকব।’

মানুষের জাগতিক দুঃখের রূপকার ছিলেন কবি জসীমউদ্দীন। গ্রামবাংলার হিন্দু-মুসলমান উভয় সমাজের জীবনপ্রবাহ তিনি উপস্থাপন করেছেন সমান দরদ দিয়ে।

পাকিস্তান রাষ্ট্রের সূচনাপর্বে ‘বাঙালি মুসলমান’ একক শব্দ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও নতুন আরেক বাইনারি তৈরি হয়।

একাত্তরের পর বলা হয়েছিল যে একাত্তর ঘটেছে ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য। কথাটা তলিয়ে দেখা দরকার। বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষ একই সঙ্গে বাঙালি ও মুসলমান।

দিল্লি দাঙ্গায় ৫৩ জন নিহত হন। তাঁদের মধ্যে ৪০ জন মুসলমান ও ১৩ জন হিন্দু।

ইসলামের প্রথম যুগ থেকেই আল্লাহর হক ও বান্দার হক রক্ষার বিষয়টি অবিচ্ছেদ্যভাবে মুসলমানদের আচরণে প্রকাশ পেয়েছে। কোরআনে দুটি বিষয়কে আলাদা করা হয়নি।

ইসলামের ইতিহাসের আলোচনাতেও রাশিয়ার ও সেখানকার মুসলমানদের প্রসঙ্গ সেভাবে স্থান পায় না। অথচ রুশ দেশ থেকে হজ সফরের কাহিনি কম চিত্তাকর্ষক নয়।

মুসলমানদের সামনে একটাই পথ খোলা ছিল—নিজেদের আত্মরক্ষা এবং ধর্ম ইসলামের পবিত্রতা বজায় রাখার খাতিরে ধনসম্পদ ও আত্মীয়স্বজন ত্যাগ করে অন্য কোথাও চলে যাওয়া।

উপস্থিত মুসলমানরা বেদুইনের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে বললেন, ‘আল্লাহর রাসুল কখনো মিথ্যা বলতে পারেন না।’ এমন সময় সাহাবি খুজায়মা (রা.) সেখানে এগিয়ে আসেন।