
সামাজিক নিরাপত্তা রক্ষায় ইসলামের ৫ মূলনীতি
প্রকৃত নিরাপত্তা কেবল তখনই সম্ভব যখন সমাজে ন্যায়বিচার বা আদল কায়েম থাকে। এর ব্যত্যয় ঘটলে অর্থাৎ জুলুম বা অবিচার ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক নিরাপত্তা ভেঙে পড়ে।

প্রকৃত নিরাপত্তা কেবল তখনই সম্ভব যখন সমাজে ন্যায়বিচার বা আদল কায়েম থাকে। এর ব্যত্যয় ঘটলে অর্থাৎ জুলুম বা অবিচার ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক নিরাপত্তা ভেঙে পড়ে।

এই জাতিকে আল্লাহ অল্প শ্রমে অধিক সওয়াব, জুমার নামাজ, নামাজের কাতার ফেরেশতাদের মতো হওয়াসহ এমন কিছু বিশেষত্ব দিয়েছেন, যা আগের জাতিগুলোর না।

অভাবীর কাছে অনেক সময় বাজারের জিনিসের চেয়েও বেশি মূল্যবান হয় সরাসরি ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী। ঘরোয়া নিত্যপণ্য অনেক সময় নগদ টাকার চেয়েও বেশি কাজে দেয়।

৩০ রমজান উমাইয়া খেলাফতের পতনের পর কুফায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম আব্বাসীয় খলিফা হিসেবে আবুল আব্বাস আস-সাফফাহর জন্য আনুগত্যের শপথ নেওয়া হয়।

নবীজি (সা.) খেজুরকে কেবল দস্তরখানের সৌন্দর্য হিসেবে দেখেননি, একে ক্ষুধা নিবারণ ও শরীরে দ্রুত শক্তি জোগানোর প্রধান উৎস হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ইরানি সাহিত্যে রোজাকে তুলনা করা হয়েছে এমন এক প্রদীপের সঙ্গে, যা নফসের অন্ধকার দূর করে এবং এমন এক নদীর সঙ্গে, যা আত্মার সব কলুষতা ধুয়ে দেয়।

সৌদি আরবে ইফতার শুরু হয় সাদামাটাভাবে, যাকে স্থানীয়রা বলেন ‘ফকুক আল-রিক’ বা রোজা ভাঙার মুহূর্ত। এক গ্লাস পানি, মদিনার আজওয়া খেজুর আর এক কাপ ‘গাহওয়া’।

একটি যুদ্ধের মাধ্যমেই স্পেনে আটশ বছরের মুসলিম শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়, যা ইউরোপকে অন্ধকার যুগ থেকে বের করে আধুনিক বিজ্ঞান ও দর্শনের আলো দেখায়।

ভারতের কোনো কোনো অঞ্চলের প্রাচীন রীতি—লবণ দিয়ে ইফতার করা। তারা বিশ্বাস করেন, দীর্ঘ উপবাসের পর লবণ মুখে দিয়ে রোজা ভাঙা শরীরের জন্য উপকারী।

কামানের গোলা ছোঁড়ার পর যখন শহরের শত শত মসজিদের মিনারে সাদা বাতি জ্বলে ওঠে, তখন সারায়েভোকে মনে হয় পাহাড়ের কোলে জমানো একরাশ জোনাকি।

এই দিনে নবীজির (সা.) নেতৃত্বে পরিচালিত দীর্ঘ ও কঠিনতম এক অভিযানের সফল সমাপ্তি ঘটে এবং মুসলিম বিশ্বের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু কায়রো থেকে ইস্তাম্বুলে স্থানান্তরিত হয়।

প্রত্যেকের দস্তরখানে নিজের তৈরি খাবারের চেয়ে প্রতিবেশীদের থেকে আসা খাবারের পরিমাণই বেশি থাকে। এটি সিরীয় সমাজের সংহতি ও সহমর্মিতার এক অনন্য উদাহরণ।