
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রথমবারের মতো ‘নৌ ড্রোন’ নামাল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে প্রথমবারের মতো চালকবিহীন ড্রোন স্পিডবোট মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে প্রথমবারের মতো চালকবিহীন ড্রোন স্পিডবোট মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ শুরু করে এখন মুখ রক্ষার উপায় খুঁজছেন।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় চরম আতঙ্কে আছেন প্রবাসী আহমেদ উল্লা। মঙ্গলবার মুঠোফোনে তিনি মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘প্রথম যেদিন কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা হয়, সেদিন থেকেই আমরা চরম আতঙ্কের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।

ইরান যুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাশিয়া গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে বলে মার্কিন গোয়েন্দা জানিয়েছে। এতে ট্রাম্প পুতিনের সঙ্গেও প্রক্সি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন। সৌদি আরবের মার্কিন ঘাঁটিতে সফল হামলায় মস্কোর ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ।

ইরানে ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের বিবৃতিতে তেহরান সন্তুষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন ঢাকার ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি। তিনি আগ্রাসী শক্তির নিন্দা করার প্রত্যাশা জানিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে দূতাবাসে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে।

যুদ্ধ বন্ধে একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এই চুক্তিতে যে ১৪ বিষয় থাকছে, তার বিস্তারিত প্রকাশ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।

আন্তর্জাতিক শ্রম অভিবাসন বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। প্রতিবছর অনেক বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যান।

ইরান মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ‘প্রতিরোধ সমীকরণ’ তৈরি করতে চাইছে। সেই অনুযায়ী, লেবাননের যেকোনো জায়গায় ইসরায়েল হামলা চালালে ইরান সরাসরি তার ওপর পাল্টা আঘাত হানবে।

ইরানে অভিযানের জন্য টানা চাপ দিয়ে আসছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তারপরই যুদ্ধে নামলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছেন। ইরান থেকে ২০০ কর্মী উদ্ধার করা হয়েছে, নতুন কর্মী পাঠানো কমেছে ৫০ শতাংশ। ফিরে আসা কর্মীরা পুনর্বাসনের জন্য সরকারি সহায়তা চাইছেন।

যুদ্ধের মধ্যে তিনজনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে ইরান। যুদ্ধ শুরুর আগে এই বছরের শুরুতে বিক্ষোভের সময় পুলিশ হত্যার দায়ে তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

ইরান দাবি করেছে, এক দিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান—এফ-১৫ই এবং এ-১০ ওয়ারথগ—ভূপাতিত করেছে তার নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়। এতে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ধ্বংস মার্কিন উড়োজাহাজের সংখ্যা সাতে পৌঁছেছে। যৌথ সামরিক কমান্ড এটিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য ‘লজ্জাজনক পরাজয়’ বলে অভিহিত করেছে।