
লাউয়াছড়ার পাশে একটুকরো অবসর, চায়ের দোকানে জমে ওঠা গল্প
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও চা-বাগানের মাঝখানে সাদ্দামের ছোট্ট চায়ের দোকান। প্রকৃতির সান্নিধ্য, আড্ডা আর প্রশান্তির খোঁজে প্রতিদিন ভিড় করেন স্থানীয় লোকজন ও পর্যটকেরা।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও চা-বাগানের মাঝখানে সাদ্দামের ছোট্ট চায়ের দোকান। প্রকৃতির সান্নিধ্য, আড্ডা আর প্রশান্তির খোঁজে প্রতিদিন ভিড় করেন স্থানীয় লোকজন ও পর্যটকেরা।

হামে আক্রান্ত শিশুদের ভিড় শিশু হাসপাতালে। আইসিইউ-সংকট ও চিকিৎসা ব্যয়ে বিপর্যস্ত স্বল্প আয়ের পরিবার।

লম্বা ছুটি পাওয়ায় হোটেল, রিসোর্ট থেকে শুরু করে বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ছিল দর্শনার্থী ও ভ্রমণপিপাসুদের বাড়তি ভিড়।

রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানার এল-৭ নম্বর ব্লকের সামনে দর্শনার্থীদের ভিড়।

ঈদুল আজহার ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল নেমেছে। গত দুই দিনে অন্তত দুই লাখ পর্যটক বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতসহ জেলার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভিড় করেছেন।

গতকাল ঈদের সকাল থেকেই লালবাগ কেল্লায় দর্শনার্থীদের ভিড় হতে শুরু করে।

বিকেলের নরম রোদ। সামনে বিস্তীর্ণ সমুদ্র। দূরে উড়ছে পাখির ঝাঁক। বাতাসে ভেসে আসছে কাঁকড়া ভাজা আর ঝালমুড়ির ঘ্রাণ। এ চিত্র চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সৈকতের। ঈদের ছুটিতে নগরবাসীর ভিড় জমে এখানেই।

বিবিরহাট ও সাগরিকা পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, এবার গরুর তুলনায় ছাগলের খোঁয়াড়ে ভিড় বেশি। বিশেষ করে ছোট পরিবার ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের আগ্রহ চোখে পড়েছে। তবে দাম নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বক্তব্যে মিল নেই। ক্রেতাদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় ছাগলের দাম কিছুটা বেড়েছে। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, শেষ দিনে এসে উল্টো কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

আগামী বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদ সামনে রেখে চট্টগ্রামের বাস টার্মিনালগুলোতে এখন ঘরমুখী মানুষের ভিড় বেড়েছে। আজ নগরের অলংকার ও এ কে খান এলাকায় গিয়ে মানুষের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। কারও হাতে ব্যাগ, কারও কাঁধে বস্তা। কেউ আবার শিশু কোলে নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন। কেউ সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছেন পোষা পাখিও।

আজ সকাল থেকে ছেড়ে যাওয়া আন্তনগর ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

মৌলভীবাজারের টেংরা বাজারে কোরবানির গরুর হাটে ক্রেতার ভিড় থাকলেও বিক্রি মন্দা। বিক্রেতারা আশাবাদী, ঈদের আগমুহূর্তে বেচাবিক্রি বাড়বে।

পশুর হাটে প্রবেশমুখের ঠিক পরেই মানুষের জটলা। বয়সী মানুষদের চেয়ে শিশু-কিশোরদেরই ভিড় বেশি। হাটের দুই মহিষকে নিয়ে তাদের যত আগ্রহ। আগ্রহের এই কারণ অন্য কিছু নয়, মহিষ দুটির গায়ের রং। পুরো শরীর গোলাপি।