
তামিলনাড়ুতে থালাপতি বিজয় কীভাবে চমকের নেপথ্যে
তামিলনাড়ুতে থালাপতি বিজয় কীভাবে চমকের নেপথ্যে

তামিলনাড়ুতে থালাপতি বিজয় কীভাবে চমকের নেপথ্যে

গতকাল সোমবার রাজ্যে বিজেপির জয়ের খবর আসার পর কালীঘাটে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তরে হামলা চালান একদল বিজেপি সমর্থক।

বিজেপি ২০৬টিতে হয় জয়ী ঘোষিত, নয়তো এগিয়ে রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এমন আসনসংখ্যা ৮১

সমকালীন ভারতে আর কোনো রাজ্যের নির্বাচন এতটা উত্তেজক ছিল না—এবার ২০২৬ সালে যা হলো। পশ্চিমবঙ্গের কোনো নির্বাচনও বাংলাদেশে এত মনোযোগ কাড়েনি অতীতে। এতসব আকর্ষণের কারণ, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ বিজয়কে মর্যাদার লড়াই বানিয়ে ফেলেছিল।

আসামে বিজেপিই থাকল, তবে আরও শক্তিশালী হয়ে। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পদুচেরিতে মসনদ টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে আবার সফল হলো ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট।

বাংলাদেশের পাশে ভারতের রাজ্য ত্রিপুরা ও আসামে বিজেপি ক্ষমতায়, মেঘালয়েও তাদের জোট। এবার পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপির শাসন।

আগামী ৫ বছর পশ্চিমবঙ্গ শাসন করার স্বপ্ন এখন মমতার কাছে দুঃস্বপ্ন।

তামিলনাড়ুতে ৪৯ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভাঙতে চলেছেন জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর।

বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন হলেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী করুণানিধির ছেলে। করুণানিধি ছিলেন তামিল সিনেমাজগতের নামকরা স্ক্রিপ্টরাইটার। তিনি পাঁচবার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। জয়ললিতা ছিলেন ২৫ বছর। রামচন্দ্র ছিলেন ১০ বছর। এ রকম হিসাব থেকেই স্পষ্ট, তামিলনাড়ুর নির্বাচনী রাজনীতি কীভাবে সেখানকার সিনেমা তারকাদের দখলে। থালাপতি পুরোনো সেই ঐতিহ্যে কেবল নিজেকে যুক্ত করতে চাইছেন। সেই সুযোগে বিজেপি চাইছে তাদের জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের ধরাশায়ী।

বিজেপির অভ্যন্তরীণ সূত্র জয়ের পেছনে পাঁচটি প্রধান কারণ দেখিয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতার ভবানীপুর আসনে এখন পর্যন্ত এগিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মমতার এগিয়ে থাকার এই ফল বেশিক্ষণ স্থায়ী হবে না বলে নিশ্চিত বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু।

আজ সোমবার সকাল থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৪ আসনের মধ্যে ২৯৩টির (একটি আসনে আবার ভোট হবে) ভোট গণনা শুরুর সময় থেকেই বিজেপির অগ্রগতি শুরু।