
দেশীয় উদ্যোক্তাদের আস্থায় নেওয়া দরকার
প্রধানমন্ত্রী চাঁদাবাজি কঠোরভাবে দমনের কথা বলেছেন-এটি ইতিবাচক এক বার্তা। নতুন সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে এমন আরও পদক্ষেপ নেবে-একজন উদ্যোক্তা হিসেবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

প্রধানমন্ত্রী চাঁদাবাজি কঠোরভাবে দমনের কথা বলেছেন-এটি ইতিবাচক এক বার্তা। নতুন সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে এমন আরও পদক্ষেপ নেবে-একজন উদ্যোক্তা হিসেবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

সংস্কৃতি বিষয়ে নতুন সরকারের কাছে টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, সংগীত ও নাট্যাঙ্গনের মানুষদের অনেক প্রত্যাশা। তাঁরা চান—স্বচ্ছ নীতি, স্বাধীন কর্মপরিবেশ আর যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন।

সংস্কৃতি বিষয়ে নতুন সরকারের কাছে টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, সংগীত ও নাট্যাঙ্গনের মানুষদের অনেক প্রত্যাশা। তাঁরা চান, স্বচ্ছ নীতি, স্বাধীন কর্মপরিবেশ আর যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন।

নির্বাচিত সরকারের কাছে তিন দিক থেকে মানুষের প্রত্যাশা রয়েছে। এক. অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটিয়ে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও মানুষের আয় বাড়বে।

সংসদ নির্বাচনের দুই দিন আগে আজ অর্থনীতির নানা দিক, প্রত্যাশা, অর্জন ও চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন অর্থ উপদেষ্টা। তিনি চলমান সংস্কারগুলোকে সংহত করতে আগামী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

সংগঠনগুলোর নেতারা বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে অপমান করে কেউ যেন রাজনৈতিক সুবিধা নিতে না পারে, সেই বার্তাই নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে তাঁরা প্রত্যাশা করছেন।

সরেজমিনে ঠাকুরগাঁও পৌর শহর, সদর, বালিয়াডাঙ্গী ও রানীশংকৈল উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার ভোটারদের সঙ্গে এই প্রতিনিধির কথা হয়। নির্বাচন সামনে রেখে তাঁদের কথায় এসব প্রত্যাশা ও দাবি উঠে আসে।

সবার কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রত্যাশা করে ফজলুর রহমান বলেন, ‘যে কথাটা বাংলাদেশে সাহস করে কেউ বলে না, সেই কথাটা আমি সংসদে বলব।’

ফেডারেল রিজার্ভ নীতি সুদহার আরও কমাতে পারে—এমন প্রত্যাশা, শুল্কনীতি ঘিরে অনিশ্চয়তা, নীতিনির্ধারণে অস্থিরতা—এসব নানা কারণেই ডলারের দাম কমছে।

অতীতের ‘পরিবারতন্ত্রনির্ভর’ রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে দেশে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

দেশে বহু বছর পর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে যাচ্ছে। তবে দেশের অতীতের অন্যান্য নির্বাচনের চেয়ে এই নির্বাচন নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা বেশি।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত হবেন ১৬ জন আইনপ্রণেতা। এই নির্বাচন ঘিরে সারা দেশের মানুষের মতো চট্টগ্রামবাসীদেরও মনে কিছু প্রশ্ন, কিছু প্রত্যাশা বরাবরের মতো জেগে উঠেছে।