
প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ইসলামের ৫ বিধান
বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে উৎপাদিত ফল, অক্সিজেন বা ছায়া থেকে মানুষ, পশুপাখি বা কীটপ্রত্যঙ্গ যা-ই উপকৃত হবে, তার সওয়াব রোপণকারীর আমলনামায় সদকা হিসেবে যুক্ত হতে থাকবে।

বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে উৎপাদিত ফল, অক্সিজেন বা ছায়া থেকে মানুষ, পশুপাখি বা কীটপ্রত্যঙ্গ যা-ই উপকৃত হবে, তার সওয়াব রোপণকারীর আমলনামায় সদকা হিসেবে যুক্ত হতে থাকবে।

প্রকৃতির এক অদ্ভুত নিয়ম হলো নিজের ঘরে ফিরে আসার তাগিদ, যা পশুপাখির বেঁচে থাকা ও বংশবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত জরুরি।

উত্তর-পশ্চিম চীনে পাখিসদৃশ ডাইনোসরের জীবাশ্মের সন্ধান মিলেছে।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় বোটানিক্যাল গার্ডেনে ঢাকার চিড়িয়াখানা থেকে আনা হচ্ছে আটটি ময়ূর। তাদের জন্য কিছুটা প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে গাছপালা অক্ষত রেখেই নির্মাণ করা হচ্ছে বিশেষ খাঁচা।

খাগড়াছড়ি জেলার গহিন বন পুড়িয়ে চলছে কচু চাষ। বনে আগুন দিয়ে, শত শত গাছ কেটে কচু চাষের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। বন্য প্রাণী ও বনের পাখিরা আবাস হারাচ্ছে।

বিকেলের নরম রোদ। সামনে বিস্তীর্ণ সমুদ্র। দূরে উড়ছে পাখির ঝাঁক। বাতাসে ভেসে আসছে কাঁকড়া ভাজা আর ঝালমুড়ির ঘ্রাণ। এ চিত্র চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সৈকতের। ঈদের ছুটিতে নগরবাসীর ভিড় জমে এখানেই।

আগামী বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদ সামনে রেখে চট্টগ্রামের বাস টার্মিনালগুলোতে এখন ঘরমুখী মানুষের ভিড় বেড়েছে। আজ নগরের অলংকার ও এ কে খান এলাকায় গিয়ে মানুষের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। কারও হাতে ব্যাগ, কারও কাঁধে বস্তা। কেউ আবার শিশু কোলে নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন। কেউ সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছেন পোষা পাখিও।

‘ভালোবাসার মূল্য কত’ থেকে ‘বন্দী পাখির মতো’, ‘ও চোখে চোখ পড়েছে যখনি’ থেকে ‘ডোরাকাটা দাগ দেখে বাঘ চেনা যায়’—বাংলা গানের শ্রোতাদের আবেগ, প্রেম, বেদনা আর স্মৃতির সঙ্গে মিশে আছে তাঁর অসংখ্য সৃষ্টি।

সে অনেক অনেক দিন আগের কথা। বলেই তিনি সামনে বহমান পদ্মার বিস্তৃত জলরাশির দিকে তাকালেন, নদীর ওপারের কালোগ্রামের ভেতরে ঢুকে যেন তিনি ছোটবেলার আম কুড়োনোর দিনের দিকে কিছুটা ঝুঁকে পড়লেন। বলে উঠলেন—তখন ছোট ছোট গ্রাম আর কিছুটা দূরে দূরে বিস্তীর্ণ জঙ্গল, সেই জঙ্গলে নানা কিসিমের পশুপাখির বাস ছিল।

বায়ার্ন ৩৫তম বুন্দেসলিগা শিরোপা জিতেছে। শিরোপা নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই উৎসবের আনন্দে ভাসছে তারা। আর এই উদ্যাপনে দেখা মিলেছে একটি কাকাতুয়া পাখিরও।

বসন্তের আগমনে শঙ্কিত মনের কাব্যিক প্রকাশ। আধবোজা দিনের ভয়, মনের উড়ান মধুপুর জঙ্গলে এবং নিয়তির ছায়ায় এক অদ্ভুত অনুভূতি। সোনালি পাখির ডাকে রাগান্বিত হওয়ার কল্পনা।

ওয়াহেদ সরদারের বাড়ি যশোর সদর উপজেলার সাড়াপোল গ্রামে। তিনি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ পাননি; নিজের নামটা কোনো রকমে লিখতে পারেন।