
৯ দিন পর সিলেটে আবার ভূকম্পন, উৎপত্তিস্থল ছাতক
সিলেটে আবার ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটে জেলার বিভিন্ন স্থানে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।

সিলেটে আবার ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটে জেলার বিভিন্ন স্থানে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ১ লাখ ৩২ হাজারের বেশি বাড়ি বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে। তীব্র ঠান্ডার মধ্যে এই পরিস্থিতি ভোগান্তি আরও বাড়িয়েছে।

আফগানিস্তানে তুষারপাত ও ভারী বৃষ্টিতে অন্তত ৬১ জন নিহত হয়েছেন।

আটলান্টিক মহাসাগর থেকে আসা একটি শক্তিশালী নিম্নচাপ তুষারঝড় রূপে জার্মানিতে হানা দিয়েছে।

শীতের কারণে জার্মানির অনেক স্কুল অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ত্রাণ প্রশাসন শাখার উপসচিব সানজিদা ইয়াছমিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সংলাপে অংশ নেওয়া নারীরা জানান, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নিরাপদ পানির সংকট, জীবিকার অনিশ্চয়তা ও ঘন ঘন দুর্যোগ তাঁদের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলছে।

ইলন মাস্কের স্টারলিংক সুন্দরবনের গভীরে উচ্চগতির ইন্টারনেট নিয়ে এসেছে, যা পর্যটক, রিসোর্ট এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নতুন সুবিধা দিচ্ছে। রিসোর্টগুলোতে ১৫০ এমবিপিএস গতি পাওয়া যাচ্ছে এবং স্থানীয়রা ফ্রিল্যান্সিংয়ে উপকৃত হচ্ছেন। তবে উচ্চ খরচ এখনো চ্যালেঞ্জ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব জানিয়েছেন, চীনের সহায়তায় অল্প সময়েই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে। তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস এবং বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেনের বিষয়েও কথা বলেন। লালমনিরহাটে চাকরি মেলা উদ্বোধনের পর এসব মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, হাওরের পরিবেশ ও উৎপাদন সমানভাবে রক্ষা করতে হবে। সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে তিনি হাওরের টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা, দুর্যোগ সহায়তা এবং জলবায়ুসহনশীল কৃষি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সরকার আগামী পাঁচ বছরের জন্য হাওর অঞ্চলের সমন্বিত রোডম্যাপ তৈরি করছে।

সুনামগঞ্জে সকাল থেকেই ছিল ঝলমলে রোদ। আজ বুধবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই রোদের তীব্রতাও বাড়তে থাকে। টানা বৃষ্টির দুর্যোগ-দুর্ভোগের পর এমন রোদে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন কিষান–কিষানিরা।

জলবায়ু সংকটের এই ক্রান্তিকালে ওজোন স্তরের ক্ষয় কিংবা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির মতো দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে ইসলামের এই পরিবেশগত শিষ্টাচারের কোনো বিকল্প নেই।