
দাম বাড়তে পারে, কমতে পারে যেসব পণ্য ও সেবার
সার্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, শুল্ককর কমানোর পণ্যসংখ্যাই বেশি।

সার্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, শুল্ককর কমানোর পণ্যসংখ্যাই বেশি।

এমনিতেই শ্যানেল, প্রাডার মতো ব্র্যান্ডের ফ্যাশন পণ্যের দাম থাকে আকাশচুম্বী। তার ওপর সেসব ব্র্যান্ডেরও এক্সক্লুসিভ সংগ্রহ। দামটা বুঝতেই পারছেন কেমন হতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে জেট ফুয়েলের দাম লিটারপ্রতি ২৪ টাকা ৭৯ পয়সা বেড়েছে। অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য নতুন দর ২২৭ টাকা ৮ পয়সা, যা আজ রাত ১২টা থেকে কার্যকর। বিইআরসি বিশ্ববাজারের মূল্যস্ফীতির কারণে এই সমন্বয় করেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে কঠোর হামলার হুমকির পর বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৯ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ডব্লিউটিআই তেলও ১১০ ডলারের ওপরে ওঠে। ইরান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে সরবরাহ ব্যাহত।

রোজা শুরুর আরও প্রায় ১৭ দিন বাকি থাকলেও এখনই লেবুর দাম চড়া। লেবুর দামের কারণে ক্রেতারা রোজার সময় ভুগতে পারেন।

গত সপ্তাহে শ্রীলঙ্কার সরকার খুচরা পর্যায়ে জ্বালানির দাম ৮ শতাংশ বাড়ানোর নির্দেশ দেয়। এ ছাড়া ব্যবহার সীমিত করতে জ্বালানি তেল কেনার সীমা বেঁধে দেয় দেশটি।

সরকার ১৯ এপ্রিল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর মজুতের প্রবণতা ও ‘প্যানিক বায়িং’ কমবে বলে মনে করা হলেও এরপরও ফিলিং স্টেশনে লাইন কমছে না।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, জ্বালানির দাম নিয়ে শীঘ্রই সিদ্ধান্ত হবে এবং পুঁজিবাজারে বড় পরিবর্তন আসছে। তিনি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে তেল-গ্যাস আমদানির চাপ এবং জ্বালানি নিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় আশা প্রকাশ করেছেন।

আজ রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল কাঁচাবাজার আকস্মিক পরিদর্শন শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, কোনো কোনো পণ্যের দাম গত বছরের তুলনায় কেজিতে ১৫–২০ টাকা কম আছে।

ম্যাককোয়ারি গ্রুপের গবেষণায় বলা হয়েছে, যুদ্ধ জুন পর্যন্ত চললে তেলের দাম সাময়িকভাবে ২০০ ডলার ছাড়াতে পারে, সম্ভাবনা ২০ শতাংশ। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ও হরমুজ বন্ধের কারণে ডব্লিউটিআই ক্রুড ১০০ ডলার পেরিয়েছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, সরবরাহ সংকট গভীর হলে বিশ্ব অর্থনীতি বড় ধাক্কা খাবে।

কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম লাফিয়ে ১২০ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।

বিশ্বব্যাংক আরও বলছে, উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশের গড় মূল্যস্ফীতি চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে যেতে পারে।