
ঈদের ছুটিতে উত্তরবঙ্গে যাবেন? রইল কিছু বেড়ানোর জায়গা আর রিসোর্টের খোঁজ
প্রকৃতির নৈঃশব্দ্য উপভোগ করতে চাইলে যেতে পারেন দিনাজপুর। বিরলের ধর্মপুরে পাবেন কালিয়াগঞ্জ শালবন, বীরগঞ্জে সিংড়া শালবন আর নবাবগঞ্জ উপজেলায় নবাবগঞ্জ শালবন।

প্রকৃতির নৈঃশব্দ্য উপভোগ করতে চাইলে যেতে পারেন দিনাজপুর। বিরলের ধর্মপুরে পাবেন কালিয়াগঞ্জ শালবন, বীরগঞ্জে সিংড়া শালবন আর নবাবগঞ্জ উপজেলায় নবাবগঞ্জ শালবন।

ঈদের ছুটিতে ভিড়ভাট্টা থেকে শান্ত অবকাশ খুঁজছেন? মুন্সিগঞ্জে পদ্ম নদীর বুকে ভেসে থাকা হাউসবোট হতে পারে ভিন্ন স্বাদের ভ্রমণের ঠিকানা।

দিন দিন যুদ্ধ পরিস্থিতি ভয়াবহ হচ্ছে। এভাবে কত দিন রুমের মধ্যে বসে থাকতে হবে, জানি না। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, বুঝতে পারছি না।

প্রথমবার এই চরে গিয়েছিলাম ২০০৯ সালের দিকে, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। প্রথম দেখাতেই ভালো লেগে যায়। এরপর যাওয়া হয়েছে বহুবার।

কী করব, বুঝতে পারছিলাম না। একটু আগেই যে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটার সঙ্গে যে আমার ভাইয়ের নামও জড়িয়ে যাবে, কল্পনাও করিনি।

ভয়ে আমার জ্বর এসে গেল। রাতে বারবার ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠতাম। প্রায় সাত দিন পরে স্বাভাবিক হতে পেরেছিলাম।

লোকসাহিত্য ছাড়াও নানা বিষয়ে বম ভাষায় তাঁর বইয়ের সংখ্যা ৭। দুই দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করে চলা এই লেখকের গল্পই এখানে।

তিব্বত ভ্রমণের ক্ষেত্রে রয়েছে বিশেষ প্রশাসনিক বিধিনিষেধ, কঠিন প্রাকৃতিক বাস্তবতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকলে জটিল হয়ে উঠতে পারে ভ্রমণ।

এই নীরব সাধনাতেই পেরোল দিন। দোরগোড়ায় হাজির হলো ফাইনাল সেমিস্টার। দিনদুনিয়া এক করে বইয়ের পাতায় ডুবে আছি, এমন এক রাতে ফোন এল অপরিচিত নম্বর থেকে।

কত বই পড়ার সুযোগ হয়েছে। কত পাঠকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। পড়ুয়া কত কত মানুষের যে সান্নিধ্য পেয়েছি, তার কি শেষ আছে?

অনেক দিন ধরেই নদী অববাহিকা ধরে হাঁটার একটা পরিকল্পনা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। জানুয়ারির শুরুতে হঠাৎ মনে হলো, এখনই সময়। কারণ, বর্ষায় সেটা অসম্ভব হয়ে যেত।

কিন্তু আমার জন্য যেসব পাত্র আনা হতে থাকল, তাদের আর সব ঠিক থাকলেও চোখ ঠিক নেই। হয় পিঁপড়ের মতো পিনিপিনি, নয়তো মরা মাছের মতো ঠান্ডা চোখ।