
জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রীকে সফরে নিতে চায় চীন
জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রীকে সফরে নিতে চায় চীন

জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রীকে সফরে নিতে চায় চীন

প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগরের গভীরে এক নীরব অভিযান চালাচ্ছে চীন।

চীন দূতাবাসের মুখপাত্র বলেছেন, এসব মন্তব্যে ‘ভুল-শুদ্ধ’ গুলিয়ে ফেলা হয়েছে আর এর পেছনে স্পষ্টভাবেই ‘অসৎ উদ্দেশ্য’ রয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া হয়ে চীন সফর করে এলেন। তিনি মালয়েশিয়া গেলেও মানুষের আগ্রহ ছিল মূলত তাঁর চীন সফরকে ঘিরে। কয়েক দিন ধরে আমাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে সংবাদমাধ্যম এবং জনপরিসরের এক বড় আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল এই সফর থেকে বাংলাদেশ কতটা প্রাপ্তি নিয়ে ফিরে আসতে পারে। যে কারণে এই সফর ঘিরে মিডিয়া হাইপও অনেক বেশি ছিল।

ট্রাম্পের চীন সফর শেষ হওয়ার পরপরই আগামী সপ্তাহে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বেইজিং যেতে পারেন। এটি বেইজিং-মস্কোর নিয়মিত যোগাযোগের অংশ। চীন এর মাধ্যমে একই মাসে দুই শীর্ষ পরাশক্তির নেতার আতিথেয়তা দেবে।

মার্কিন গোয়েন্দাদের দাবি, চীন ইরানে ‘ম্যানপ্যাডস’সহ আকাশ প্রতিরক্ষা অস্ত্র পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। চীন দাবি করেছে, তারা কখনোই এই সংঘাতে কোনো পক্ষকে অস্ত্র সরবরাহ করেনি। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির মধ্যে এই তথ্য উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর ও দুই দেশের সম্পর্কের গতিপথের ওপর নজর রেখেছে ভারত।

‘শুধু বাংলাদেশ নয়, আমাদের বৈদেশিক নীতি হলো চীন যেকোনো দেশে অন্য যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপের ঘোর বিরোধী,’ বলেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া হয়ে চীনে গেছেন। অর্থনৈতিক স্বার্থের বিবেচনায় দুটি দেশই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের অন্যতম উৎস। সেখানে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ওপর বর্তমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বাংলাদেশে বড় চাওয়া। আর সহজ শর্তে ঋণ, বিনিয়োগ, অবকাঠামো নির্মাণে সহায়তা বা বাণিজ্য সম্পর্ক—যেকোনো বিবেচনায় চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগী। তবে আঞ্চলিক ভূরাজনীতি ও কৌশলগত বিবেচনায় সফর দুটির মাত্রাগত পার্থক্য ও ভিন্নতা আছে।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়, জানাল বেইজিং।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে মালয়েশিয়া ও চীন সফর নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ।

নতুন সরকারের প্রথম বড় কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে একই সঙ্গে সফল এবং তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।