
তেহরান ও ইসফাহানে ইসরায়েলের হামলা কতটা তাৎপর্যপূর্ণ
এই হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছে

এই হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছে

কিছুদিন আগে একই ধরনের আরেক হামলায় তাঁর পূর্বসূরিও নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানে আলোচনা চললেও মার্কিন হামলা যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছেন। ইরান থেকে ২০০ কর্মী উদ্ধার করা হয়েছে, নতুন কর্মী পাঠানো কমেছে ৫০ শতাংশ। ফিরে আসা কর্মীরা পুনর্বাসনের জন্য সরকারি সহায়তা চাইছেন।

ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরও নতুন দর-কষাকষির সম্ভাবনা রয়েছে। লেখকের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, ইরানিদের কাছে চুক্তি মানেই নতুন আলোচনার শুরু। ট্রাম্পের চরম অবস্থান এবং ইরানের কৌশল টেকসই শান্তি বাধা দিচ্ছে।

ইরান দাবি করেছে, এক দিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান—এফ-১৫ই এবং এ-১০ ওয়ারথগ—ভূপাতিত করেছে তার নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়। এতে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ধ্বংস মার্কিন উড়োজাহাজের সংখ্যা সাতে পৌঁছেছে। যৌথ সামরিক কমান্ড এটিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য ‘লজ্জাজনক পরাজয়’ বলে অভিহিত করেছে।

নেতানিয়াহুর চেঙ্গিস খানের মতো আগ্রাসী নীতি ইসরায়েলের রাজনীতিতে প্রতিফলিত হচ্ছে, যা জেরুজালেমের পবিত্র স্থানে ক্যাথলিক প্যাট্রিয়ার্ককে আটকানো থেকে গাজার ধ্বংস পর্যন্ত বিস্তৃত। যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে এই দম্ভ শেষ পর্যন্ত নৈতিক পরাজয়ই নিয়ে আসবে বলে মত প্রকাশ করেছেন লেখক। ঐতিহাসিক তুলনা করে তাঁরা সতর্ক করেছেন এই পথের পরিণতি।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে কিছুটা সুর নরম করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোয় ইরানের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ‘যথাযথ প্রচেষ্টায়’ যোগ দেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ছয়টি দেশ। একই সঙ্গে তারা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর দেশ দুটির হয়ে কাজ করা গুপ্তচর আটক।

সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ নেতৃত্বের উত্তরাধিকার প্রশ্নেও লারিজানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। মোজতবা খামেনিকে ক্ষমতায় আনার সম্ভাবনার বিরোধিতা করেছিলেন লারিজানি ও সাবেক প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি।