
ট্রাম্পের আহ্বানের পর হামলা বন্ধ করল ইরান ও ইসরায়েল
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে ইরানের সঙ্গে লড়াই বন্ধের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে ইরানের সঙ্গে লড়াই বন্ধের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

লেবাননে ১২০টির বেশি হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। নড়বড়ে হয়ে পড়েছে সাময়িক যুদ্ধবিরতি।

বিস্ময়ের কথা, ইরানের এ সাবেক প্রেসিডেন্ট তাঁর চরম কট্টরপন্থী, ইসরায়েলবিরোধী ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত।

ইরানি রাজনীতিবিদ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা—উভয় পক্ষই নিজেদের বিজয়ী দাবি করছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করলে ইসরায়েলও হামলা বন্ধ করবে। টাইম সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের চাপ স্বীকার করেন এবং নেতানিয়াহুর নির্ভরশীলতা তুলে ধরেন। যুদ্ধের কৌশল ও এআই ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধ করতে পাকিস্তান, মিসর ও তুরস্ক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।

আলোচনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবির পর ইসরায়েলে হতাশা ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

এই হামলার প্রকৃত পরিকল্পনাকারী হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগনে নয়। এই পরিকল্পনা বহু আগে থেকেই তৈরি হয়েছিল তেল আবিবে।

ইসরায়েলি অর্থনীতিবিদ শির হেভার বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইসরায়েলে সামরিক উন্মাদনার জোয়ার বয়ে গেছে।

ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে যুক্তরাষ্ট্রের এ অভিযানে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা, দুটি বিমানবাহী রণতরি ও বোমারু বিমান অংশ নিচ্ছে।

ইরানে হামলার জন্য ইসরায়েল ইরাকের মরুভূমিতে গোপন সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছিল। ইরাকি সেনারা ঘাঁটির খোঁজ পেয়ে যাওয়ায় ইসরায়েল বিমান হামলা চালায়, এক সেনা নিহত হন। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রক্সি বাহিনীর ব্যবহার অস্থিরতা বাড়াচ্ছে।