
আমাদের সিদ্ধান্ত বদলানোর সুযোগ নেই, আইসিসি সুবিচার করেনি: আসিফ নজরুল
নিরাপত্তাশঙ্কায় ভারতে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তের বিষয়ে আজ ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

নিরাপত্তাশঙ্কায় ভারতে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তের বিষয়ে আজ ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

অবশেষে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণাও শুরু হয়ে গেল। এর আগে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রার্থী ফরম সংগ্রহ ও জমা দান, প্রার্থিতা যাচাই–বাছাই, আপিল, চূড়ান্ত প্রার্থিতা ঘোষণা ইত্যাদি নিয়ে সরগরম পরিস্থিতিও দেখা গেল। দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপি নিয়ে তর্কবিতর্কও ছিল চরমে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ক্লাস চলাকালে ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে সাউন্ড বক্স বা মাইক বাজানো, খেলাধুলাসহ সব ধরনের কোলাহলপূর্ণ কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ।

কী ভয়ানক! দেশে, সমাজে একজন মানুষকে ৩০ দিনের মাসে কমপক্ষে ৫০ জন শত্রুর ভার বহন করে জীবনযাপন করতে হয়।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো সুশাসনের ব্যর্থতা। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে ঋণ দেওয়া হয়েছে।

আয়োজক দেশের ঘরোয়া রাজনীতির কারণে ক্রিকেটের শ্বাসরোধ হয়ে মরার দশা হচ্ছে কি না। প্রশ্ন উঠছে, ক্রিকেটের রাজনীতিকীকরণ করতে গিয়ে ভারত কি নিজের পায়েই কুড়াল মারছে?

মিত্রদেশের ভূমি দখলের হুমকি থেকে শুরু করে ন্যাটোকে উপেক্ষা-নিয়ম ভাঙার খেলায় মেতেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাড়ছে শঙ্কা, দিশেহারা মিত্ররা।

নেইমার শুধু বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নই দেখছেন না, তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন—ব্রাজিল এবার হেক্সা জিতবে।

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। গ্রুপ ‘সি’তে বাংলাদেশের সঙ্গে আছে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালি।

বিসিবি–সংশ্লিষ্ট কেউই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চাইছেন না। তবে সূত্রের খবর, বিসিবিকে আইসিসর সময় বেঁধে দেওয়ার আসলে কিছু নেই।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি কমেছে। প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি অনেক দিন ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে আছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ কম, সরকারি বিনিয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ ও অপচয়মুখী, সরকারি ঋণ বেড়েছে, মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এসব কারণে অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে।

আপিল শুনানির শেষ দিনে ঋণ খেলাপি এবং দ্বৈত নাগরিকত্ব–সংক্রান্ত বিষয়ে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মনোনয়ন নিয়ে রায়ের দিন ধার্য ছিল।