
সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় কী অর্জন হলো, এরপর কী হতে পারে
আগামী দিনগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

আগামী দিনগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

ভীতিকর অবস্থা ছিল, যদি কোনো কারণে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। কারণ, ওপরে ড্রোনের ভয়, আর নিচে মাইন কিংবা ছোট সাবমেরিনের ভয়।

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত বন্ধের লক্ষ্যে সুইজারল্যান্ডে গত রোববার দুপক্ষের মধ্যে প্রথম দফার বৈঠক শুরু হয়।

টিইউ–১৬০ বোমারু বিমান ব্যারেন্টস সাগর ও নরওয়েজিয়ান সাগরের ওপর দিয়ে ওড়াউড়ি করেছে।

জাহাজটির কর্মকর্তারা জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অন্তত তিনবার হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করেও সফল হওয়া যায়নি।

গতকাল সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে এ হুঁশিয়ারি দেন।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন ইরানের তেল বিক্রির ওপর থেকে ৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক নিয়ে ভিন্নমত জানিয়েই আলোচনা এগিয়ে নিতে বলেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। অন্যদিকে বাঘের গালিবাফ আলোচনার সময় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিজের হাতে চাইছেন।

সুইজারল্যান্ডের এ সপ্তাহজুড়ে ইরান আর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কারিগরি আলোচনা চলবে।

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধ থামানোর জন্য গত সপ্তাহে যে প্রাথমিক চুক্তি হয়েছে, তাতে সবচেয়ে বড় পরাজিত পক্ষ বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাক্ষরিত চুক্তিটি কার্যকর করার সব দায় সরাসরি ওয়াশিংটনের ওপর চাপিয়েছেন।

যুদ্ধের ময়দানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কড়া জবাব দেওয়া ইরান, সেই একই স্পিরিট যেন খেলার মাঠেও ফিরিয়ে এনেছে। অবিশ্বাস্য খেলে রুখে দিয়েছে বেলজিয়ামকে।