
হাতে থাকা তেল ফুরিয়ে আসছে, উৎপাদনে গতি কম
ইরান যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেল আমদানি আটকে যাওয়ায় উৎপাদনের গতি কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে দেশের একমাত্র সরকারি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।

ইরান যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেল আমদানি আটকে যাওয়ায় উৎপাদনের গতি কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে দেশের একমাত্র সরকারি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।

যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের তোয়াক্কা না করে হরমুজ প্রণালি পার হলো চীনের জাহাজ।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিতীয় দফা আলোচনার সম্ভাবনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুড ৯৮.৪০ ডলারে এবং ডব্লিউটিআই ৯৭.৪০ ডলারে নেমেছে। এশিয়ার শেয়ারবাজারেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে।

অকটেনের মজুত বাড়ছে, ১৭ এপ্রিল আরও জাহাজ আসছে। কিন্তু সরবরাহ কমায় ফিলিং স্টেশনে লাইন লম্বা। মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভীতি কমলে ভোগান্তি কমবে।

ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা সত্ত্বেও পোপ চতুর্দশ লিও যুদ্ধবিরোধিতা চালিয়ে যাবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। আলজেরিয়াগামী উড়োজাহাজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে তিনি শান্তি ও আলোচনার পক্ষে কথা বলেন। ১০ দিনের সফরে তিনি আফ্রিকার চার দেশ ভ্রমণ করবেন।

ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরও নতুন দর-কষাকষির সম্ভাবনা রয়েছে। লেখকের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, ইরানিদের কাছে চুক্তি মানেই নতুন আলোচনার শুরু। ট্রাম্পের চরম অবস্থান এবং ইরানের কৌশল টেকসই শান্তি বাধা দিচ্ছে।

হরমুজ প্রণালীতে সোমবার মার্কিন সামরিক অবরোধ শুরু হয়েছে। ১৫টির বেশি যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানি জাহাজের আক্রমণের হুমকি দিয়েছেন। ইরানও কঠোর জবাবি হুঁশিয়ারি জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানি বন্দরে নৌ-অবরোধ কার্যকর করেছে। ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের অর্থ সরবরাহকারী জাহাজ আটকানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইনজ্ঞরা এটিকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলছেন।

ইরানি বন্দরগুলোয় সব ধরনের সামুদ্রিক যাতায়াতের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি খরচ বেড়েছে, সরকার পাইকারি-খুচরা বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করতে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। অর্থমন্ত্রী আহ্বায়ক, কমিটি মূল্যহারের প্রস্তাব দেবে। ক্যাব উপদেষ্টা লুটপাটের অভিযোগ তুলে দামবৃদ্ধির বিরোধিতা করেছেন।

ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় চুক্তির কাছাকাছি গিয়ে ভেস্তে যায় ব্যাপারটা। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানকে দায়ী করেছেন। ট্রাম্পের অবরোধের হুমকিতে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ পাল্টা জবাব দিয়েছেন।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টা আলোচনা সত্ত্বেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে পৌঁছায়নি। ইরান সরকার সমর্থকদের সড়কে অবস্থান করে থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে আরও উদ্যোগী হতে বলেছে। আইনপ্রণেতারা যুদ্ধে ইরানের সুবিধাজনক অবস্থান নিয়ে খুশি।