
হরমুজে দুটি জাহাজ, বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা
মার্কিন হামলার পাল্টা জবাবে হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

মার্কিন হামলার পাল্টা জবাবে হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

ইরান হরমুজ প্রণালীর সাবমেরিন কেব্লে টোল আরোপ করে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে চায়।

হরমুজ প্রণালির পানির নিচে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ট্রাফিক পরিচালনা করা একাধিক সাবমেরিন কেব্লও রয়েছে।

ওয়াশিংটন দুই–এক দিনের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের আশা করছে।

এই যুদ্ধ তেহরানের হাতে নতুন একটি অস্ত্র তুলে দিয়েছে

চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ বহাল থাকার ঘোষণা ট্রাম্পের।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন সংকট দেখা দিয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান হরমুজ প্রণালিতে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। যুদ্ধবিরতির মধ্যে এ সংঘাত সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা দিয়েছে। দুই পক্ষই পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে দাবি করলেও উভয়ই পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

হুমকি ও পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেও হরমুজ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি পণ্যবাহী জাহাজ পাড়ি দিয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন বাহিনী। প্রণালিটির দক্ষিণাঞ্চলে একটি নিরাপদ এলাকা গড়ে তোলার কথাও জানিয়েছে তারা।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর টোল বসানোর পরিকল্পনা করেছে ইরান। তবে তাতে আপত্তি যুক্তরাষ্ট্রের।

হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ের বিরোধিতায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একমত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরান হামলার পর তেহরান এই জলপথ বন্ধ করে দিয়েছে। ট্রাম্প-সি চিন পিংয়ের বৈঠকে এই বিষয় আলোচিত হবে।

ইরানের হরমুজ প্রণালি অবরোধের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি যুদ্ধ থেকে অর্থনৈতিক যুদ্ধের পথে হেঁটেছেন। এই কৌশল মূলত নতুন করে ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানে হামলা করা ছাড়াই সংঘাত শেষ করার চেষ্টা।