
বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে মহানবী (সা.)-এর ঘোষিত ১০ নীতি
দেড় হাজার বছর আগে বিদায় হজে মানবাধিকারের যে সনদ মহানবী (সা.) ঘোষণা করেছিলেন, তা আধুনিক সময়ের যে-কোনো মতাবাদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর।

দেড় হাজার বছর আগে বিদায় হজে মানবাধিকারের যে সনদ মহানবী (সা.) ঘোষণা করেছিলেন, তা আধুনিক সময়ের যে-কোনো মতাবাদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর।

হজের অন্যতম কঠিন ও জটিল ধাপ মুজদালিফার পবিত্র ভূমিতে রাত কাটানোর পর প্রতীকী শয়তানকে পাথর মারতে ঈদুল আজহার দিন আজ বুধবার ভোরে ১৭ লাখের বেশি মুসলিম মিনায় সমবেত হয়েছেন। তাঁরা আজ বড় শয়তানকে পাথর মারছেন।

হজের খুতবায় মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও বিশ্বশান্তির জন্য দোয়া করা হয়েছে।

একটি শক্ত জড়বস্তুর প্রয়োজনানুসারে উঁচু-নিচু হওয়া ও কাদামাটির মতো নরম হয়ে নিজের মধ্যে পদচিহ্ন গ্রহণ করা আল্লাহ-তাআলার কুদরতের অনন্য নিদর্শন।

প্রতিদিন ফজরের নামাজ পড়ে গ্রামের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময়ে তিন বন্ধুর কথা হয় তাঁদের স্বপ্নকে ঘিরে। ছয় বছর ধরে এই রুটিন বদলায়নি একটুও। এই অপেক্ষা—সময়ের কাঁটা যেন থেমে আছে—এক অজানা পবিত্র যাত্রার উদ্দেশ্যে।

মিনা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আরাফাত ময়দান। এ ময়দানে হাজিদের জন্য হাজার হাজার অস্থায়ী তাঁবু টানানো আছে।

কাবা তাওয়াফ করা হজের অংশ।

লাখো মানুষ একই রঙে, একই ঢঙে একই খোদার সমীপে হাজির হন। এই মহামিলনের পেছনে যে অন্তর্নিহিত চেতনা কাজ করে, তা হলো প্রকৃত আধ্যাত্মিকতা এবং নিখাদ বিশ্বভ্রাতৃত্ব।

পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

কাবার সামনে দাঁড়িয়ে মানুষ উপলব্ধি করে, এই দুনিয়ার সমস্ত গৌরব, অহংকার ও কৃত্রিমতা কত ক্ষণস্থায়ী! সেখানে মানুষ শুধু আল্লাহর বান্দা হিসেবেই পরিচিত।

পবিত্র স্থানকে ঘিরে সমাজে রয়েছে একটি বহুল প্রচলিত ধারণা—‘ওখানে নেক আমল করলে যেমন লক্ষ গুণ বেশি সওয়াব, তদ্রূপ পাপও বৃদ্ধি পাবে এক লক্ষ গুণ।’

একজন হাজির মদিনা থেকে মক্কায় হজযাত্রার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। মদিনা ছেড়ে আসার বিষণ্নতা, ইহরাম বাঁধার পর আত্মিক শুদ্ধির অনুভূতি, পথিমধ্যে মরুভূমি ও পাহাড়ের দৃশ্য—সবকিছু তিনি তুলে ধরেছেন।