
অতীত অভিজ্ঞতার কারণে সংস্কার নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে
ড. আসিফ নজরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক। সাউথ এশিয়ান ফর হিউম্যান রাইটসের নির্বাচিত ব্যুরো মেম্বার ছিলেন।

ড. আসিফ নজরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক। সাউথ এশিয়ান ফর হিউম্যান রাইটসের নির্বাচিত ব্যুরো মেম্বার ছিলেন।

বহু বছর পর দেশের মানুষ দীর্ঘ আকাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রে ফিরতে পেরেছে। এবারের নির্বাচন ও নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে মানুষের মনে অনেক স্বপ্ন কাজ করছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গভর্নর মোস্তাকুর রহমান ডেপুটি গভর্নর কবির আহাম্মদকে এ নিয়ে লিখিত জবাব দিতে বলেছেন।

শিক্ষা খাতে এখনো বড় কোনো দৃশ্যমান সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ শুরু হয়নি। তা সত্ত্বেও আমরা ভিন্নধর্মী একটি বিপদের সংকেত পাচ্ছি; তা হলো দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা পাশ কাটিয়ে কিছু চমকপ্রদ নীতি গ্রহণ, যেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে তাৎক্ষণিক জনপ্রিয়তা প্রাধান্য পাওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে।

জনসংখ্যা নীতি হলো কোনো দেশের সরকার কর্তৃক গৃহীত এমন পরিকল্পনা ও কৌশল, যার মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যার আকার, বৃদ্ধির হার, বণ্টন ও গুণগত মান নিশ্চিত বা উন্নত করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করা।

খোদ সংবিধান নিয়েই যদি মানুষের অসন্তোষ তৈরি হয়, তখন পরিবর্তনের বৈধতা কোথা থেকে আসবে?

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ নিয়ে পৃথক রিটে আদেশ মঙ্গলবার।

রাষ্ট্রপতির কোনো আদেশ যদি তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত শপথের বাইরে নতুন কোনো শপথ গ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা করে, তা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে দাঁড়াবে।

গণভোটে সমর্থন পাওয়া মানেই প্রতিটি প্রস্তাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়ে যাবে, এমন নয়। বিশেষ করে যখন প্রস্তাবগুলো বহুবিধ এবং জটিল। সংবিধান সংশোধনের জন্য সংসদে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

গত বৃহস্পতিবার সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গণভোটও হয়।

গবেষণা সংস্থা পিআরআই আয়োজিত ‘নির্বাচিত সরকারের জন্য অর্থনৈতিক সংস্কারের এজেন্ডা’ শীর্ষক সেমিনারে অর্থনীতিবিদেরা বিভিন্ন পরামর্শ–তাগিদ দেন।

কৌতূহলবশত বড় রাজনৈতিক দলগুলোর (যেমন বিএনপি বা জামায়াত) ইশতেহার বা ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখলাম শিক্ষা নিয়ে তাদের কী পরিকল্পনা। হতাশাজনকভাবে, শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সুনির্দিষ্ট বা যুগোপযোগী কোনো পরিকল্পনা চোখে পড়ল না।